বিধান নগর এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ এবং বিধান নগর গোয়েন্দা পুলিশ ও রাজারহাট থানার পুলিশ যৌথভাবে রাজারহাট সহ বিধান নগরের বিভিন্ন সবজির বাজার ও দোকানে হানা দেয়। আগামীকাল কার্ফু জারি করার কারণে শহরের বিভিন্ন দোকানদার, কালোবাজারি করতে মাল স্টক করে রাখছে। এবং মানুষের কাছ থেকে বাড়তি দাম নিচ্ছে। যার জেরে সাধারন মানুষের পক্ষে বেঁচে ওঠা দায় হচ্ছে। 

আরও পড়ুন, ৬ মাস বিনামূল্য়ে রেশন দেবে রাজ্য়, করোনা আতঙ্কে ঘোষণা মুখ্য়মন্ত্রীর


জানা গিয়েছে, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলছেন বিধান নগর এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ এবং বিধান নগর গোয়েন্দা পুলিশ ও রাজারহাট থানার পুলিশ। এবং যারা বিক্রেতা আছে তাদের বলা হচ্ছে প্রত্যেক মালের যে রেট চার্ট সেটা দোকানের সামনে ঝুলিয়ে রাখতে। যাতে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে কোন মালের কি দাম। ও কোনও ক্রেতা একসঙ্গে অনেক আলু বা পেঁয়াজ বা যেকোনও জিনিস কিনতে আসলে, তাদেরকে দিতে বারণ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন, দ্বিতীয় করোনা আক্রান্তও শহরে ঘুরলেন বেপরোয়াভাবে, আতঙ্কে কাঁটা কলকাতাবাসী

করোনার কোপে ইতিমধ্য়েই কলকাতা সহ রাজ্য় রীতিমত জেরবার। সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে যে, যেকোনও জায়গাতেই   এক সঙ্গে জড় না হতে। এদিকে কাল থেকে কার্ফু জারি হওয়ায় আকস্মিক বিপর্যয়ের সুযোগ বুঝে দোকানিরা চড়া দামে সব কিছু বিক্রি করছে। এর সঙ্গে কালোবাজারি করতে মাল স্টক করে রাখছে। যার দরুণ স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখতে এবং  সেই কালোবাজারি রুখতে এবার হানা দিল বিধান নগর এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ ও বিধান নগর গোয়েন্দা পুলিশ ও রাজারহাট থানার পুলিশ।
 

আরও পড়ুন, 'চাইনিজ-নেপালিজ' তোমরা রোগ নিয়ে এসেছ, ফেসবুকে ভাইরাল কলকাতার জাতি বিদ্বেষ