করোনায় মৃত ভেবে পরিবারের কাছে অন্য দেহ তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল হাসপতালের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শেষপর্যন্ত নামতে হল তৃণমূলের চিকিৎসক নেতাকে। যদিও আরজিকর মেডিক্যাল কলেজের বিরুদ্ধে এর উপযুক্ত ব্য়বস্থা চেয়ে চিঠি লিখেছে মৃতের পরিবার।  
রাজ্য়ে ২০০ ছাড়িয়ে গেছে আক্রান্তের সংখ্য়া, হিসেব দিল কেন্দ্র.

হাসপাতাল সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বিকেলে অশোকনগরের এক বাসিন্দার মৃতদেহ নিতে বিষয়টি নজরে পরে ওই পরিবারের। তারা টের পান আগেই ওই  মৃতদেহ এসে আত্মীয়েরা টের পান আগেই ওই মৃতদেহ কোভিড রোগীর জায়গায় ভুল করে সমাধিস্ত করা হয়েছে। পিঠোপিঠি দুদিন মারা যাওয়ায় দেহ দেওয়ার সময় খেয়াল  করেনি মর্গের লোকজন। 

জানা গিয়েছে, করোনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়ায়  দুজনেরই কোভিড১৯ পরীক্ষা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু অশোকনগরের বাসিন্দার দেহে কোভিডের অস্তিত্ব ধরা পরেনি।  তিনি মারা গিয়েঠেন সোমবার। অন্যদিকে, বেলগাছিয়ার বাসিন্দা, ৮৬ বছরের মৃত বৃদ্ধের দেহে করোনার ধরা পড়ে। তিনি মারা গিয়েছিলেন রবিবার। তাই ধন্দে পরে য়ায় মর্গের লোকজন।
টলিউডের অভিনেত্রী-সাংসদের বাবার করোনা পজিটিভ, দ্বিতীয় রিপোর্টের অপেক্ষা.

সোমবার সৎকারের জন্য এলে আরজি করের মর্গ থেকে ভুলবশত বেলগাছির পরিবারের কাছে অশোকনগরের মৃতের দেহ তুলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। দেহ সম্পর্কে খেয়াল না করায়, অশোকনগরের ব্যক্তির দেহ তুলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে তা করোনায় মৃতের জন্য় নির্দিষ্ট স্থানে সামাহিত করে পরিবার। কিন্তু মঙ্গলবার দেহ নিতে এলে দুই পরিবারই বিষয়টি জানতে পারে। 
মোদীর ডাকে প্রদীপ জ্বালিয়ে বিপাকে, ঝাড়গ্রামের চিকিৎসকদের পাশে বাবুল.

বেগতিক দেখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাল ধরেন, তৃণমূলের চিকিৎসক নেতা শান্তনু সেন। তিনি বেলগাছিয়ার প্রবীণের আত্মীদের এ বিষয়ে বুঝিয়ে বলেন। কিন্তু শোনা গিয়েছে ,  মৃতদেহ ফিরে পেতে জোরাজুরি করতে থাকেন অশোকনগরের মৃতের আত্মীয়রা। কিন্তু করোনার জন্য় নির্ধারিত জায়গা থেকে দেহ তুলে আনা যে সংক্রামক হবে তা তাদের বোঝানো হয়েছে।