শনিবার সারা দেশ তথা পশ্চিমবঙ্গে শুরু কোভিডের টিকাকরণ।  রাজ্য়ে ২১২ টি টিকাকরণ কেন্দ্রে প্রথম দফায় টিকা পাবেন করোনাযোদ্ধারা। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার মোট নয়টি কেন্দ্র থেকেও কোভিড-১৯  টিকাকরণ কর্মসূচি করা হয়েছে। আগেই করোনা টিকার ২ টি ডোজ নিয়ে সাহস যোগাচ্ছেন ফিরহাদ।

 

 


শনিবার চেতলায় ভ্যাকসিন নিয়ে ফিরহাদ হাকিম বললেন,' যেহেতু আমি দুটো ডোস ট্রায়ালে নিয়েছি তাই আজ সাহস যোগাতে যাচ্ছি। এবং ওখান থেকে ভিডিও কনফারেন্সও আছে বলার জন্য যে আমি সুস্থ আছি আপনারা সবাই ভ্যাকসিন নিন। সর্বত্রই চালু হচ্ছে ভ্যাকসিন প্রক্রিয়া।  আমি সবাইকে বলছি আপনারা ভ্যাকসিন নিন ও মাস্ক মুক্ত জীবন যাপন করুন। পাঁচটা পৌরসভার সকল স্বাস্থ্যকর্মীরা  আজ করোনা টিকা পাবেন, আস্তে আস্তে আমরা সব জায়গায় চালু করে দেব। এখন আমাদের হাতে যেহেতু করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য অস্ত্র এসেগেছে সেই অস্ত্র প্রয়োগ করে করোনামুক্ত জীবন যাপন করি। আমি ভ্যাকসিন নিয়েছিলাম তার কারণ আমাদের যারা বৈজ্ঞানিক আমাদের যারা ডাক্তার যারা এই ভ্যাকসিন তৈরী করেছে। তাঁদের এই ভ্যাকসিন যাতে সাফল্যমন্ডিত হয় তাই আমি নিজে ভলেন্টিয়ার হয়ে বলেছিলাম। আমাকে ভ্যাকসিন দেয়া হোক তাহলে যদি সাফল্যমন্ডিত হয় তাহলে আমাদের ১৩০ কোটি দেশবাসী এই ভ্যাকসিন বিনামূল্যে পাবে। সেই জন্য আজ আমি খুব উৎসাহিত।'

 

 


শনিবার ১৬ তারিখ সমগ্র রাজ্যব্যাপীর মতো দক্ষিণ ২৪ পরগনার মোট নয়টি কেন্দ্র থেকেও কোভিড-১৯  টিকাকরণ কর্মসূচি করা হয়েছে। তারই শুভ সূচনা করলেন মহেশতলার বিধায়ক শ্রী দুলাল চন্দ্র দাস। মহেশতলা পৌরসভার অন্তর্গত মোল্লার গেট আর্বান প্রাইমারী হেলথ সেন্টারে আজ মোট ১০০ জনকে এই টিকা করন করা হল।  দক্ষিণ ২৪ পরগনার পৌরসভা গতভাবে সোনারপুর রাজপুর পৌরসভা এবং মহেশতলা পৌরসভায় এই টিকাকরণ কর্মসূচি হয়েছে। বাকি সাতটি কেন্দ্র পঞ্চায়েত এলাকার মধ্যে। প্রথম পর্যায়ে মহেশতলা পৌরসভা এলাকার মোট ২৩০ জনকে এই টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে আজ ১০০ জন সোমবার দিন আরও ১০০ জন এবং রাজ্য সরকারের নির্ধারিত পরবর্তী তারিখে বাকি ৩০ জনকে এই কোভিশিল্ড টিকা করন করা হবে।