ফের শহরে ব্যাঙ্কের লকার থেকে সোনার গায়েব গয়না    প্রথমে হেয়ার স্ট্রিট, চিৎপুরের পর এ বার গড়িয়াহাট    ১৫ দিনে ৩টি অভিযোগ এল কলকাতা পুলিশের কাছে  উধাও হয়ে গেল প্রায় ৮০ লাখ টাকার সোনার গয়না 

ফের শহরে ব্যাঙ্কের লকার থেকে সোনার গায়েব গয়না। হেয়ার স্ট্রিট, চিৎপুরের পর এ বার গড়িয়াহাট। গয়না সুরক্ষিত রাখতে যে ব্যাঙ্কের লকারের উপর ভরসা রেখেছিলেন গ্রাহক, সেই লকার থেকেই গায়েব হয়ে গেল গয়না। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন, ক্রমেই চড়ছে তাপমাত্রার পারদ, সোমবার থেকে ফের বৃষ্টি বঙ্গে

সূত্রের খবর, দমদমের স্বর্ণালী দত্ত, নাকতলার হাসমুখরাই ডি পারেখের পর এ বার লকার থেকে গয়না চুরির অভিযোগ জানালেন, কড়েয়ার ব্রড স্ট্রিটের বাসিন্দা দম্পতি ভীমচন্দ্র মাইতি ও রেবা মাইতি। গত ১৫ দিনের মধ্যে শহরে পরপর তিনটি ব্যাঙ্কের লকার থেকে এভাবে গয়না খোয়া যাওয়ার খবরে উদ্বিগ্ন গ্রাহকরাও। প্রথম দুটি ঘটনায় দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও এ বার কাঠগড়ায় একটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক। ওই দম্পতির অভিযোগ, তাদের লকার থেকে প্রায় তিনশো গ্রামেরও বেশি সোনার গয়না খোয়া গিয়েছে। এর পিছনে কোনও চক্রের হাত রয়েছে, নাকি গ্রাহক বা ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষেরই ভূল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

আরও পড়ুন, মারুতি সার্ভিস সেন্টারে বিধ্বংসী আগুন, ঘটনাস্থলে ছুটে এলেন মিমি

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের গড়িয়াহাট শাখায় তাঁদের লকার রয়েছে। ভীমচন্দ্র মাইতি পেশায় একজন চিকিৎসক। গত বছর মে মাসে তাঁরা শেষবার লকার খুলেছিলেন। সেখানে একটি বাক্সে তিনশো গ্রামের মতো সোনার গয়না জমা রাখা ছিল। এরপর তাঁরা বিদেশে তাঁদের ছেলের সঙ্গে দেখা করার পর সম্প্রতি তাঁরা বাড়িতে ফেরেন। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মাইতি দম্পতি লকার খুলতে গিয়ে দেখেন, তাদের স্টিলের গয়নার বাক্স সম্পূর্ণ ফাঁকা, কোনও গয়না নেই। পাশের একটি ছোট বাক্সে সামান্য কিছু গয়না পড়ে রয়েছে। এরপরই ওই দম্পতি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। কিন্তু তাঁরা সেভাবে গুরুত্ব দেননি বলে অভিযোগ ওই দম্পতির। 

আরও পড়ুন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের 'হ্যাটট্রিক', এবার পরীক্ষা শুরুর আগেই হোয়াটসঅ্যাপে মিলল ভূগোলের পেপার

অপরদিকে, গত পনেরো দিনের মধ্যে শহরের বিভিন্ন প্রান্তের একাধিক ব্যাঙ্কের লকার থেকে উধাও হয়ে গেল প্রায় ৮০ লাখ টাকার সোনার গয়না। প্রথমে হেয়ার স্ট্রিট, তারপর চিৎপুর, সবশেষে গড়িয়াহাট। তিন তিনটি অভিযোগ গত ১৫ দিনে জমা পড়েছে কলকাতা পুলিশের কাছে। পর পর তিনটি ঘটনা ঘটলেও কীভাবে লকার থেকে গয়না উধাও হচ্ছে তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশায় পুলিশ। শুধু পুলিশই নয়, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের নিজস্ব তদন্তেও মেলেনি কোনও সূত্র। তবে ওই ব্যাঙ্কগুলির সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।