কিছু দিন আগেই হেয়ার স্কুলের সামনে জমেছিল অভিভাবকদের ভিড়। অভিযোগ ছিল ছাত্রের তুলনায় শিক্ষক সংখ্যা অনেকটাই কম, ফলে দেখা যাচ্ছে শিক্ষার ঘাটতি। পরে অবশ্য পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে যায়। সেই স্বাভাবিক পরিস্থিতিটা ছিল সাময়িক। কারণ বুধবার সকাল থেকেই আবার সেই একই দাবিতে হেয়ার স্কুলের সামনে দেখা গেল অভিভাবকদের ভিড়। 

আগেরবার বিক্ষোভের পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছিল সমস্যার সমাধান তারা খুব শীঘ্রই বের করবে। কিন্তু কোনও কথা রাখা হয়নি। স্কুলে এখনও অবধি পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। আগেরবার বিক্ষোভের পরে খোদ শিক্ষামন্ত্রী অভিভাবকদের আশ্বস্ত করেছিলেন এই সমস্যার সমাধানের বিষয়ে। ২৩ জুলাই তিনি বলেছিলেন অতিরিক্ত শিক্ষক এনে পূরণ করা হবে এই ঘাটতি। তার পরেও কেটে গিয়েছে প্রায় ১ মাস, কিন্তু কাজ হয়নি কিছুই। এবার আবারও সেই দাবিতেই গণ অবস্থান অভিভাবকদের। রাস্তা অবরোধ করে চলে সেই অবরোধ। যার জেরে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচলও। এই অবরোধের প্রভাব পড়ে গোটা কলেজস্ট্রিট চত্ত্বরে। এমনকি মোতায়েন করা হয় পুলিশও। 

১৭ জুলাইও দেখাগিয়েছিল এই একই ছবি। সেই সময় শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে অবরোধ তুলে নেন অভিভাবকেরা। তার পরেও কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা। কলকাতার নামি স্কুল গুলির মধ্যে হেয়ার স্কুল একটি। আর সেই স্কুলেই দীর্ঘদিন ধরে পাঁচশো ছাত্রের শিক্ষা প্রদানের দায়িত্বে আছেন মাত্র আট জন শিক্ষক। এর মধ্যেই গত মাসে একজন শিক্ষক ছেড়ে চলেও গেছেন। যার ফলে দীর্ঘদিন ধরে ক্লাসও হয়না সেখানে। পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় বাচ্চাদের পড়াশুনাও ঠিক করে হচ্ছে না বলেই এই বিক্ষোভ। কলকাতার অন্যতম স্বনামধন্য স্কুলের এই অবস্থা হওয়ায় বেশ চিন্তিত অভিভাবকেরাও।