তাঁর আঘাত নাড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসনের ভিত। বন্ধুদের নাছোড় লড়াই থেকে বিষয়টা দাঁড়িয়েছ সার্বিক আন্দোলনে। এনআরএস-এর চিকিৎসকেরা যে আন্দোলন গড়ে তুলেছেন তাতে সামিল গোটা দেশ। কিন্তু ঠিক কেমন আছেন পরিবহ? কতটা সুস্থ তিনি? কাজে ফিরতে পারবেন কবে? প্রশ্নগুলি ঘুরপাক খাচ্ছে বাতাসে। ভেসে আসছে দু ধরনের মত। 

পরিবহর সতীর্থরা, সমব্যথী নেটিজেনরা নেটদুনিয়ায় বলছেন, পরিবহ আপাতত বিপন্মুক্ত হলেও ভবিষ্যতে তাঁর কিছু স্থায়ী সমস্যা হতে পারে। যেমন সাঁতার কাটা বা সাইকেল চালানোর মত কাজগুলি তিনি কখনও করতে পারবেন না। অনেকে স্মৃতিভ্রংশ ও দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা করছেন। 


আরও পড়ুনঃ নবান্নে জুনিয়র চিকিৎসকরা, দাবি মমতার, প্রমাণ চেয়ে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ডাক্তারদের

তবে মেডিক্যাল কলেজের সুপার প্রসেনজিত বর্ধন রায় বলছেন সম্পূর্ণ অন্য কথা। তাঁর দাবি পরিবহর অবস্থা আগের থেকে অনেকটাই ভাল। তিননি খাওয়া দাওয়া করছেন স্বাভাবিক ভাবে। হাসপাতালে তাঁর আত্মীয়
পরিজনরা আসছেন। তাঁদের সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবে কথাও বলছেন পরিবাহ।

তবে পরিবহের সঙ্গে সকলের অবাধ কথাবার্তায় রাশ টানতে চাইঠে ছয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড। শনিবার ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্সের সুপার প্রসেনজিত বর্ধন রায় বলেন, পরিবাহর সঙ্গে দেখা করতে হলে, এবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতেই হবে।

গত সোমবার মহম্মদ শহিদ নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এনআরএস চত্ত্বর। রোগীর পরিবারের সঙ্গে বহিরাগতরা যোগ দিয়ে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। সেখানেই জখম হন পরিবাহ। জখন হন আরেক জুনিয়র ডাক্তার যশ টেকওয়ানি। অভিযোগ ছিল পুলিশের নাকের ডগায় দুই লরি বহিরাগত হাসপাতালে ঢুতে হামলা চালিয়েছে। শুরু হয় পরিবাহর চিকিৎসা। অন্য দিকে সুরক্ষার দাবিতে ক্রমে উত্তপ্ত হতে শুরু করে সরকারি হাসপাতালগুলি। ক্রমে পরিষেবাক্ষেত্রটিই ভেঙে পড়েছে। গোটা রাজ্যেই হাসপাতালগুলির বহির্বিভাগ বন্ধ। এমারজেন্সি বিভাগগুলি চলছে না চলার মতো করেই। সমাধান সূত্র খুঁজতে ব্যর্থ প্রশাসন।