ঘূর্ণিঝড় যশ নিয়ে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন আবহবিদরা  গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫৫-১৬৫ কিমি পর্যন্ত হতে পারে এমন পরিস্থিতিতে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে তৎপর রেলও  দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের চাকা শিকল দিয়ে বাঁধা হয়েছে 


ঘূর্ণিঝড় যশ নিয়ে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন আবহবিদরা। তাঁদের আশঙ্কা, বুধবার ওই ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫৫-১৬৫ কিমি পর্যন্ত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে তৎপর রেলও। দুর্ঘটনা রুখতে ইতিমধ্যেই শালিমার স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের কামরাগুলির চাকা শিকল দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়েছে। সেইসঙ্গে বাতিল করা হয়েছে বুধবারের আপ এসি স্পেশাল এক্সপ্রেস ও বৃহস্পতিবারের ডাউন এসি স্পেশাল এক্সপ্রেস ট্রেনও।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন, ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আগেই প্রস্তুত জাতীয় মোকাবিলা বাহিনী, জানুন কোন পথে আসছে 'যশ' 


ঘূর্ণিঝড় যশ নিয়ে আগেভাগেই সতর্ক রেল

রাজ্য সরকারের জারি করা বিশেষ কোভিড বিধি নিষেধের কারণে ইতিমধ্যেই রাজ্যে লকডাউনের মতো পরিস্থিতি। যার জেরে ইতিমধ্যে পুরোপুরি স্তব্ধ লোকাল ট্রেন পরিষেবা। কিন্তু বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে রয়েছে একাধিক ট্রেন। এর মধ্যেই বিপুল গতি নিয়ে ওড়িশা ও এ রাজ্যের উপকূলবর্তী সীমানায় হাজির ঘূর্ণিঝড় আমপান। সেই ঝড়ে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে। তার কবলে পড়ে একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনগুলি যাতে কোনও বিপদ না ঘটায় সে জন্য আগেভাগেই সতর্ক রেল। সে কারণেই দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনগুলির চাকা শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। 

আরও দেখুন, ভারতের ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়গুলির নাম জানলে অবাক হতে হয়, দেখুন পর পর ছবি

কেন ট্রেনের চাকা শিকল দিয়ে বাঁধা হয়েছে ?

এ প্রসঙ্গে রেল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা, দাঁড়িয়ে থাকা ‌ট্রেনগুলি ঝড়ের দাপটে কোনও কারণে নিজের অবস্থান থেকে সরে গেলে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই আগাম সতর্কতা হিসাবে ট্রেনের চাকাগুলি বেঁধে রাখা হয়েছে। তবে শুধু ঝড়ের ক্ষেত্রেই নয়, ট্রেন কোনও কারণে দীর্ঘ ক্ষণ কারণে দাঁড় করিয়ে রাখা হলে, তার চাকা এ ভাবেই বেঁধে রাখা হয় বলেই জানাচ্ছেন রেলের আধিকারিকরা।লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকলেও চালু রয়েছে দূরপাল্লার রেল পরিষেবা। চালানো হচ্ছিল এসি স্পেশাল এক্সপ্রেসও। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কবার্তা পেয়ে ওই ট্রেনগুলি আপাতত বাতিল করা হয়েছে বলেই রেল দফতর সূত্রের খবর।

আরও পড়ুন, সুপার সাইক্লোন 'যশ'-র মোকাবিলায় কলকাতা বিমানবন্দর, কড়া নজরদারি উপকূলরক্ষী বাহিনীরও