এবার পিপিই ও মাস্কের দাবিতে কাজ বন্ধ করলেন আরজি কর হাসপাতালের ২০০ জন জুনিয়র ডাক্তার। চিকিৎসকদের অভিযোগ, বার বার বলা সত্ত্বেও চিকিৎসক, নার্স থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে না। এন ৯৫ মাস্ক তো দূর নিয়মিত কোভিড টেস্টও করানো হচ্ছে না তাদের। যার  জেরেই কাজ বন্ধ করতে বাধ্য় হয়েছেন তারা।

১৫ মিনিটেই টিকিট শেষ হাওড়া থেকে দিল্লিগামী বিশেষ ট্রেনের.

এদিকে, বিষয়টি সামনে আসতেই অস্বস্তি বেড়েছে রাজ্য় সরকারের। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। রাজ্য়ের সাম্প্রতিক অতীত বলছে, আগে রাজ্য়ে পিপিই ও করোনা কিট ও মাস্কের অপ্রতুলতার জন্য় কেন্দ্রীয় সরকারের ওপরই দায় চাপিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী। বহুবার নবান্নে পরিসংখ্যান তুলে ধরে মুখ্য়মন্ত্রী বলেছেন, কেন্দ্র করোনা যুদ্ধে যা সরঞ্জাম দিচ্ছে তা কিছুই নয়। সেই তুলনায় রাজ্য় সরকার বিশাল পরিমাণ করোনার সরঞ্জাম তৈরির নির্দেশ দিয়েছে।

পিপিই পরে দেহ সরালেন মৃতের ভাই, আজব কাণ্ড কলকাতা মেডিক্যালে.

কিন্তু হাতে মজুত না থাকায় সেই সরঞ্জাম তৈরি করতে হচ্ছে। যা করতে গিয়ে সময় লাগছে। ফলে চিকিৎসক, স্বাস্থ্য়কর্মীদের দিতে দেরি হচ্ছে রাজ্য়ের। যদিও এই কথা শুনতে নারাজ আরজি করের চিকিৎসক, স্বাস্থ্য়কর্মীরা। তাদের অভিযোগ, পিপিই, এন ৯৫ মাস্ক ছাড়া এরকম একটা পরিস্থিতিতে কাজ করা মৃত্যুকে আহ্বান করার সমান। তাই ইচ্ছা থাকলেও কাজ থেকে সরে আসতে হয়েছে তাদের।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে এখনও সরকারিভাবে মুখ খোলেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে এতে যে হাসপাতালের চিন্তা বেড়েছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন অনেকেই। আপাতত দ্রুত চিকিৎসকদের কাজে ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে হাসপাতাল।