এবার ডেঙ্গুর বলি হলেন কলকাতা পুরসভারই এক আধিকারিক। মৃত ওই আধিকারিকের নাম শান্তনু মজুমদার। তিনি কলকাতা পুরসভার সদর দফতরে কর মূল্যায়ন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তবে শান্তনুবাবুর বাড়ি উত্তর চব্বিশ পরগণার খড়দহে। বেশ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ থাকার পরে এ দিন সকালে ই এম বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। 

শান্তনুবাবুর বাবাও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত বলে জানা গিয়েছে। তিনিও ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

এ বছরও কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকাগুলিতে ডেঙ্গুর প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে। ইতিমধ্যেই কলকাতায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাইশশো ছাড়িয়েছে বলে পুরসভার তথ্যেই স্বীকার করে নেওয়া হচ্ছে। বছরভর চেষ্টা করার পরেও সাধারণ মানুষের অসচেতনতার কারণেই ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলেই অভিযোগ পুরকর্তাদের। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে কলকাতায় পুরসভায় পর্যালোচনা বৈঠকও হয়। ডেঙ্গু আটকাতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপের কথা ভাবছে পুরকর্তৃপক্ষ। 

আরও পড়ুন- ডেঙ্গু সন্দেহে চিকিৎসাধীন বাম কাউন্সিলর, খোঁজ নিলেন মন্ত্রী গৌতম

আরও পড়ুন- কাউন্সিলর শোভন থেকেও নেই, অতীনকে নোংরা দেখালেন রত্না

পুরকর্তাদের অভিযোগ, অনেক বেসরকারি ফাঁকা জমিতে জঞ্জাল পড়ে থাকছে শহরের মধ্যেই। সেই আবর্জনার মধ্যেই বংশবিস্তার করছে ডেঙ্গুর মশারা। এই ধরনের অভিযোগ সামনে এলে এবার সংশ্লিষ্ট জমি অধিগ্রহণ করতে চায় পুরসভা। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুমোদনের জন্য রাজ্য সরকারের কাছেও প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। মূলত কলকাতা পুরসভার ৭, ১০ এবং ১৪ নম্বর বরোয় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেশি বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি গোটা রাজ্যেই ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা গত দেড় মাসে অনেকটাই বেড়েছে বলে স্বীকার করে নিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরও। তবে বৃষ্টি কমায় এবার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা।