বড়দিনের আগেই শহরকে কড়া নিরাপত্তা দিতে প্রগতিশীল কলকাতা পুলিশ। একে কোভিডের চরিত্র বদলেছে। তার উপরে ইতিমধ্য়েই ভারতে নয়া স্ট্রেন মিলেছে। এমন এক খবরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে আগাম সতর্ক কলকাতা পুলিশ। শহর জুড়ে থাকছে  অসংখ্য সিসিটিভি এবং ড্রোন। যেকোনও পরিস্থিতি সামলাতে  বদলানো হবে 'স্ট্য়েটেজি প্ল্য়ানিং'।

আরও পড়ুন, কোভিড মোকাবিলায় মিলল স্কচ অ্যাওয়ার্ড, স্বীকৃতি পেল রাজ্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর

 

কলকাতা জুড়ে  আগাম বড় দিনের আভা। জাঁকিয়ে শীতও আছে কম বেশি। এদিকে মানুষ ঘুরতে বেরোনো শুরু করেছে। এমন অবস্থায় খুবই সতর্ক কলকাতা পুলিশ।  ক্রিসমাসে কোনও বেপরোয়া অপরাধমূলক কাজ করলেই সোজা শ্রীঘরে যেতে হবে। সে জন্য ঢেলে সাজানো হয়েছে নিরপত্তা বেষ্টনি। বড়দিনের দিন অর্থাৎ ক্রিসমাসে শুক্রবার বিকেল ৪ টা থেকে শনিবার ভোর অবধি কড়া নিয়ন্ত্রনে থাকবে। হাঁটার রাস্তা খোলা থাকবে। জহর লাল নেহেরু রোড,  পার্কস্ট্রিটের মিডলটন স্ট্রিটে গাড়ি চলাচল ওই সময় বন্ধ থাকবে। তবে উড স্ট্রীট থেকে পার্কসার্কাসের সংযুক্ত রাস্তাগুলি খোলা থাকবে। ক্রিসমাস ইভের দিন চৌরঙ্গি থেকে পার্ক সার্কাস অবধি দুপুর ১ টা থেকে রাত ১ টা অবধি খোলা থাকবে। তবে এই সকল কিছুকে নিয়ন্ত্রণ করতে চারিপাশে নজরে থাকবে অসংখ্য সিসিটিভি এবং ড্রোন। প্রয়োজনে টেনে দেওয়া হবে গার্ড রেল। পার্কস্ট্রিটে মোট ১১টা ওয়াচ টাওয়ার থাকছে। উপস্থিত থাকবে ৫০০০ পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধে থেকেই শুরু হয়ে যাবে নাকা চেকিং।

আরও পড়ুন, বিশ্ব-বাজারে বিকোবে শান্তিকেতনের শিল্পীদের কাজ, সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য নিতে আহ্বান মোদীর

 

সুধীর কুমার নীলকান্তম (ডিসি সাউথ) জানিয়েছেন, 'আমাদের স্ট্রেটেজি  প্রগতিশীল এবং  ভীড় অনুযায়ী বদলাতে থাকবে। এবং যেকোনও পরিস্থিতি সামতেই আমরা তৈরি আছি।' তিনি আরও বলেন এজন্য ঢালাও ব্যারিকেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে সকল ব্যারিকেডই একই সঙ্গে ব্য়বহার করা যাবে না। এবিষয়ে ধারাবাহিক ভাবে লালবাজার ইস্ট্রাকশন দিতে থাকবে।'