বছরের শুরু থেকেই লালবাজারে জমা পড়েছে একাধিক অভিযোগ, সবাই পেটিএম-এ প্রতারিত। নতুন বছরে এখনও সবার কাছে কেওয়াইসি-র নাম করে ফোন আসছে । বলা হচ্ছে সেটি আপডেট করতে হবে। আপডেট করা আছে জানানোর পরেও বলা হয় অন্য় কথা। পুরোটা নয়,বাকি থাকা অংশগুলি  আপডেট করতে হবে। তারপরে বিভিন্ন তথ্যের আড়ালে প্রতারকের ফাঁদে পা দিচ্ছে অনেকেই। 

আরও পড়ুন, বছরের প্রথম উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ, সাক্ষী থাকবে কলকাতাও

পেমেন্ট বলতে করতে হচ্ছে তিন থেকে পাঁচ টাকা। অ্যাকাউন্ট সচল দেখে ও ব্যাঙ্কের ব্যালেন্স থেকে চলে যাচ্ছে বহু টাকা। শান্তনু ভট্টাচার্যের গেছে  ৬৩ হাজার টাকা, জিতেন্দ্র সাহা হারিয়েছেন ৯৭ হাজার টাকা। এই প্রতারণার সময় মোবাইলের কাজ করছেন প্রতারকরা। চোখের সামনে কষ্টের জমানো টাকা চলে যাবার পরেও আটকানো সম্ভব হচ্ছে না।উল্লেখ্য় গত ৩১ ডিসেম্বর, পেটিএম এ ১৬৮,০০০ টাকার প্রতারণার শিকার হয়েছিল এক ব্যবসায়ী পরিবার।ই ব্যবসায়ী পরিবার পেটিএম এ অনলাইনে অ্যাপস ডাউনলোড করে তাতে ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্কের ক্রেডিট কার্ডের ১০,০০০ টাকা জমা রাখেন। তারপর  পেটিএম থেকে জানানো হয়, জমা দেওয়া ওই ১০,০০০ টাকা ফেরৎ পেতে গেলে তাদেরকে কেওয়াইসি ফর্ম ফিলাপ করতে হবে। তাই নতুন বছরেও সেই একই ঘটনা পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।

আরও পড়ুন, শুক্রবার হালকা বৃষ্টিতে ভিজবে তিলোত্তমা, পারদ ক্রমশ ঊর্দ্ধমুখী

এই ধরনের ঘটনা থেকে বাঁচতে বারবার বলা হয়েছে বিশেষ কিছু সাবধানতা মেনে চলতে। কলকাতা পুলিশের টুইট করেও জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবারও যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ শাখা)  মুরলি ধর শর্মা টুইট করে একথা জানিয়েছেন।  এই ঘটনার পরে রীতিমত চিন্তায় কলকাতা পুলিশের কর্তারা। কীভাবে এই সমস্যার সমাধান হবে তার সন্ধানে রয়েছেন গোয়েন্দারা।