একেবারে বেনজির আক্রমণ। খোদ রাজ্য়ের সাংসদ হয়ে রাজ্য়পালের পদ  খালি আছে বলে টুইট করলেন তৃণমূলের সাংসদ। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্য়ে। যদিও এই বিষয়ে মুখ খোলেননি রাজ্য়পাল জগদীপ ধনখড়। 

করোনা রুখতে কলকাতায় নেগেটিভ আয়ন স্প্রে করে মিলল সাফল্য়, দাবি ফিরহাদের..

কলকাতা পুরসভায় ফিরহাদ হাকিমের প্রশাসক পদে অভিষেক নিয়ে মুখ্য়মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলেন কদিন  আগেই। চিঠিতে মুখ্য়মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে রাজ্য়পাল লিখেছিলেন,আগেও চিঠির দিয়ে এ বিষয়ে কোনও উত্তর পাননি  তিনি।  সংবিধানের ১৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একজন রাজ্য়পাল মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তথ্য় চাইতে পারেন। এমনকী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় কেন্দ্রের ২০ লক্ষ কোটির প্যাকেজকে অশ্বডিম্ব বলায় 'যার পর নাই' অখুশি হন রাজ্য়পাল। 

করোনাকে হারিয়ে যুদ্ধ জয়ী বউবাজার থানার শীর্ষ আধিকারিক, ফুল ছড়িয়ে স্বাগত জানাল সহকর্মীরা..

মুখ্য়মন্ত্রী কেন্দ্রের বিশেষ আর্থিক প্যাকেজকে বিগ জিরো বলায় অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন রাজ্যপাল। এ বিষয়ে টুইট করে তিনি লেখেন,কেন্দ্রের প্যাকেজ যুগান্তকারী। মুখ্য়মন্ত্রী এ বিষয়ে যে মন্তব্য় করেছেন তা নেতিবাচক চিন্তাধারা ও দুঃখজনক। রাজ্য়পালের এই মন্তব্য়ের পরই পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটল তৃণমূল। সরাসরি পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যপালের পদ খালি আছে বলে টুইট করলেন তৃণমূলের কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।

— Mahua Moitra (@MahuaMoitra) May 14, 2020

টুইটে মহুয়া লিখেছেন,পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য়পালের পদের জন্য় অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সংবিধান পড়া জানতে হবে। রাজ্যের অফিসারদের সম্মান ও অপ্রয়োজনে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মুখ খোলা বন্ধ রাখতে হবে। এখানেই শেষ নয়, নিজের সম্মান বজায় রাখা ও নির্লজ্জভাবে রাজনীতি না করাও তাঁর অবশ্য় যোগ্যতার মধ্য়ে পড়বে । মহুয়ার  অভিযোগ, রাজ্য়পালের পদে বসে রাজনীতি করে চলেছেন রাজ্য়পাল। অতীতে রাজ্য়পালের সম্পর্কে এই একই অভিযোগ করেছে তৃণমূল।