করোনায় মৃত্যু যাচাইকারী কমিটির দায়  নিতে চাইছে না কেউ। গতকালই রাজ্য়ের মুখ্য়সচিব রাজীব সিনহা বলেছিলেন, তিনি সরাসরি করোনার অডিট কমিটির বিষয়টি  দেখছেন না। এবার অডিট কমিটি তিনি তৈরি  করেননি বলে জানালেন খোদ মুখ্য়মন্ত্রী। বুধাবার নবান্নে মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, অডিট কমিটি আমি করিনি। স্বাস্থ্য দফতরের সচিব, মুখ্যসচিব এঁরা করেছেন। অডিট কমিটিতে কারা রয়েছেন, তাও আমি জানি না।

২০ জনের বেশি যাত্রী নয়,গ্রিন জোনে চলবে বেসরকারি বাস.

স্বাভাবিকভাবেই মুখ্য়মন্ত্রীর বয়ানে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। বিজেপি যেমন বলেছে, কেন্দ্রীয় দলের জবাব দিতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী। বেগতিক দেখে এখন আমলাদের ওপর দায় চাপাচ্ছেন তিনি। কিন্তু এই বলে রাজ্য়বাসীর  কাছ থেকে পালাতে পারবেন না তিনি। একই কথা শোনা গিয়েছে, রাজ্য়ের বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীর মুখে। এদিন সুজনবাবু বলেন,প্রথম থেকেই রাজ্য়ে করোনা রোগীর আসল সংখ্যা চেপে আসছিল রাজ্য় সরকার। এ নিয়ে বার বার সরব হয়েছেন বামেরা। এবার তথ্য় সামনে চলে আসতেই দায় এড়িয়ে পালাচ্ছেন মুখ্য়মন্ত্রী।  কিন্তু ওনাকে মানুষের দরবারে জবাব দিতে হবে।

সোমবার থেকে খোলা থাকবে পাড়ার সব ছোট দোকান, বুধবার নবান্নে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্য়ে করোনা আক্রান্ত কোনও রোগী মারা গেলে সে করোনাতেই মারা গেছে কিনা তা দেখতে অডিট কমিটি গড়েছে রাজ্য় সরকার। কোভিডই রোগীর মৃত্যুর কারণ কিনা তা ওই কমিটি বিচার করে দেখছে। এরজন্য বহু মানদণ্ড তৈরি করেছে এই কমিটি। সম্প্রতি রাজ্য় সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। বিরোধীদের অভিযোগ, করোনা রোগীর সংখ্যা লুকোতেই এই কমিটি গড়া হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার দল পাঠাতেই আসলে রাজ্য়ে করোনায় কতজন মারা গিয়েছেন তা জানা গেছে।

জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জের , প্রবল বেগ নিয়ে ফের আসছে ঝড়-বৃষ্টি কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে

সম্প্রতি রাজ্য়ের এই  অডিট কমিটির রিপোর্ট সামনে আনেন মুখ্য়সচিব রাজীব সিনহা। যেখানে তিনি বলেন, রাজ্য়ে কোভিড পজিটিভ রোগী মৃত্যু সংখ্যা ৫৭ জন। যার মধ্য়ে ১৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, বাকি ৩৯ জনের মৃ্ত্যু ইন্সিডেন্টাল। কদিন আগেই রাজ্য সরকার গঠিত ওই অডিট কমিটির ডাক্তারদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে কেন্দ্রীয় টিম। আইসিএমআর এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রটোকল মেনে তাঁরা করোনা আক্রান্তের মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করেছেন কিনা তা জানতে চাওয়া হয়েছে।