ক্ষমতায় এসে বদলা নয়,বদলের ডাক দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তবে ২১ শে জুলাইয়ের ভারচুয়াল সভায় একেবারে অন্যরূপে দেখা গেল তাঁকে। বিরোধীদের হুংকার দিয়ে তৃণমূলনেত্রী বলেন, একুশের ভোটে বদলা নিতে হবে৷ স্বাভাবিকভাবেই মমতার এই মন্তব্য় নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা।

কদিন আগেই বিজেপির মুখে শোনা গিয়েছিল এই একই কথা। ক্ষমতায় এসে বদলার সঙ্গে সঙ্গে বদল চাই বলেছিলেন বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। নিজেই সোশ্য়াল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন সেই  কথা। তা নিয়ে কম জল্পনা হয়নি। অনেকেই বলেছিলেন, লাগাতার শাসক দলের হামলার মুখে কর্মীদের চাঙ্গা করতেই এই ভোকাল টনিক দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ।   

রাজ্য় রাজনৈতিক মহল বলছে, করোনা, আমফান ত্রাণ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি নিয়ে এখন ব্যাকফুটে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের দল। এছাড়াও ৯ বছরের প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়া ভাবাচ্ছে মমতাকে। এরকম একটা মুহূর্তে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছাড়া উপায় ছিল না তৃণমূলনেত্রীর। এদিন ভারচুয়াল সভা থেকে আক্রমণাত্মক মেজাজেই গেরুয়া শিবিরকেই বিরোধীদের তুলোধনা করেন নেত্রী।  

এদিন বিজেপিকে নিশা করে মমতা বলেন,  বিজেপিকে সমর্থন করলে ঠকবেন৷ জীবনও যাবে-জীবিকাও যাবে৷ এই বলেই থেমে  থাকেননি নেত্রী।  নাম না করে মোদী-শাহকে বিঁধতে ছাড়েননি তিনি। মমতা বলেন, যাঁরা এজেন্সি দিয়ে দেশ চালান, তাঁরা দেশের নেতা নন৷ তৃণমূলের উপর ভরসা রাখুন৷ ২০২১ সালে ফের তৃণমূলই সরকার গড়বে৷ টাকা দিয়ে রাজ্য়ে- রাজ্য়ে সরকার ভাঙছে বিজেপি৷ বাংলার সরকার ফেলে দেওয়ার চক্রান্ত করছে৷