ফের কলম ধরলেন মুখ্য়মন্ত্রী। এবার তাঁর লেখনীতে ফুটে উঠল করোনা আতঙ্ক। যাতে স্থান পেল রাজ্য়ের প্রথম করোনা আক্রান্ত তরুণ ও তাঁর আমলা মায়ের দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজের কথা। 

বেসরকারি হাসপাতালেও 'নো রিফিউজাল', করোনা নিয়ে ব্যবসা করলে দেখে নেবেন মমতা

করোনার ভয়াবহতা বোঝাতে গিয়ে মুখ্য়মন্ত্রী লিখেছেন, গরিবরা খুব সচেতন। দায়িত্বজ্ঞানহীন  দামীরা। জগৎটা উচ্ছন্নে গেলেও চিন্তা নেই তাদের। ওয়াকিবহাল  মহলের মতে, এই দুটো লাইন লিখেই আমলা ও তাঁর ছেলেকে একহাত নিয়েছেন  মুখ্যমন্ত্রী। সোশ্য়াল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে মুখ্য়মন্ত্রীর এই কবিতা। তবে এই প্রথমবার নয় এরা আগে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে বার বার কলম ধরেছেন তিনি।

মনে বিষ ঢালাই ছিল কাজ, বাদু়ড়িয়ায় লস্করের 'লিঙ্কম্যান' ২১ বছরের যুবতী.

বৃহস্পতিবার শহরের বেসরকারি হাসপাতাল নার্সিংহোম ও ডায়গনিস্টিক সেন্টারগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য়মন্ত্রী। নবান্নে সেই বৈঠকে মুখ্য়মন্ত্রী জানান,কেন্দ্র করোনা মোকাবিলায় অর্থ জোগাবে  বলেছে।  কিন্তু এখনও টাকা আসেনি। অতীতেও বুলবুলের সময় অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই ত্রাণ এসে পৌঁছয়নি। রাজ্য় সরকারকেই দায়িত্ব নিয়ে সব করতে হয়েছে। এবারও তাই নিজের তাগিদেই বেসরকারি  ক্ষেত্রের কাছে করোনার জন্য়  অনুদান চাইবে রাজ্য় সরকার।

করোনার সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে লন্ডন ফেরত, গালিগালাজে 'উদ্ধার করছে' সোশ্য়াল মিডিয়া

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের কর্পোরেট সোশ্য়াল রেসপন্সিবিলিটি তহবিল থেকে টাকা দিলে তাতে রাজ্য়বাসীই উপকৃত হবে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য় দফতরের কর্তারা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্য়েই করোনা  ভাইরাস রুখতে কয়েক লক্ষ গ্লাভস, মাস্ক ছাড়াও ভেন্টিলেটর আনানো হচ্ছে। তাছাড়া স্য়ানিটাইজারও কিনতে  হচ্ছে রাজ্য়কে। এটা একটা বিপুল পরিমাণ খরচ। যার জন্য় অর্থ অনুদান প্রকল্প গড়ছে রাজ্য সরকার।