মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিবেকানন্দ উচ্চারণের ভুলেও মোদী সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন তৃণমূল নেত্রী। নেতাজি ইন্ডোরের সভায় মমতা বলেন, এটা ট্রাম্পের নয়, আমাদেরই ভুল। কেন্দ্রীয় সরকার মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বিবেকানন্দের গুরুত্ব বোঝাতে পারেনি। মমতার দাবি, বিজেপির জন্যই দেশের সম্মান নষ্ট হচ্ছে।

দিল্লি হিংসার প্রতিবাদ, রাজ্য়জুড়ে 'ছিঃ ছিঃ' করবে তৃণমূল

সম্প্রতি ভারত সফরে এসে বিবেকানন্দ থেকে সচিন তেন্ডুলকর সবার নাম উচ্চারণ করতে গিয়ে 'ঢোক গেলেন' ডোনাল্ড ট্রাম্প। যার  জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের উচ্চারণ ঘিরে হাসির রোল ওঠে। যা নিয়ে আক্ষেপ করেছেন তৃণমূলনেত্রী।  ভারত সফরে এসে আহমদাবাদে ভারতীয় মণীষীদের নিয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। গুজরাতের মোতেরা স্টেডিয়ামে সেই বক্তৃতায় মহান ভারতীয়দের শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে স্বামী বিবেকানন্দকে 'বিবেকামুনডন' বলে সম্বোধন করেন তিনি।

বাংলায় 'গোলি মারো' বলতেই গ্রেফতার করেছি,অমিত শাহকে নিশানা মমতার

পরে সচিন তেন্ডুলকরের নাম বলতে গিয়েও হোঁচট খান ট্রাম্প। বিশ্বখ্যাত এই ক্রিকেটারকে 'শুচিন' বলে সম্বোধন করেন ট্রাম্প। যা ঘিরে অনলাইন দুনিয়ায় বহু মন্তব্য় লেখা শুরু হয়। যা নিয়ে মমতা বলেন, এদের জন্য দেশের সম্মান তলিয়ে যাচ্ছে। বিবেকানন্দের নাম ভুল বলা হচ্ছে। তবে আমি এর জন্য ট্রাম্পকে দোষ দিই না। এটা আমাদেরই দোষ। আমরাই তো ভালো করে বোঝাতে পারিনি। বিবেকানন্দের উচ্চারণ শেখাতে পারিনি। বিবেকানন্দের গুরুত্ব বোঝাতে পারিনি। তাই গান্ধীজিকেও ভুলে যাচ্ছে।

দিল্লিতে পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা হয়েছে, হিংসা নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ মমতার

এদিন নেতাজি  ইন্ডোরে নাম না করে মোদী সরকারের পাশাপাশি অমিত শাহকেও একহাত নেন মমতা।  তৃণমূল নেত্রী বলেন,ঘাসফুলের বিকল্প ঘাসফুলই।  এদিন সভার শুরুতেই দিল্লিতে মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরবতা পালন করেন মমতা। পর দিল্লিতে হিংসার জন্য কাঠগড়ায়  দাঁড় করিয়েছেন অমিত শাহকে।  প্রশ্ন তুলেছেন দিল্লির হিংসার বিরুদ্ধেও। মমতা বলেন, পরিকল্পনা করে গণহত্যা হয়েছে দিল্লিতে। পুলিস, সেনা, আধা সেনা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই হিংসা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

রাজনৈতিক  ভাষণে প্রথম থেকেই অনুরাগ ঠাকুরের স্লোগানকে হাতিয়ার  করেন মমতা। তিনি বলেন, কে গদ্দার মানুষ ঠিক করবে। আমার রাজ্যে এ রকম স্লোগান দেওয়া মাত্রই গ্রেফতার করিয়েছি। অথচ দিল্লিতে এই সব বলেও সবাই পার পেয়ে গিয়েছে।  প্রতিদিন নালা খুলছে আর একটা করে মৃতদেহ বেরোচ্ছে। এর জবাব দিতে হবে ওদের।