যাদবপুরের এক তরুণী বিয়ের শেষ লগ্নে এসে বুঝতে পারলেন তিনি প্রতারণার শিকার। ম্যাট্রিমনি সাইটে আলাপ হয়েছিল দুজনের। সেখান থেকেই ভাল লাগা, এগোয় সম্পর্ক। তারপর বিয়ের প্রস্তাব। দুই বাড়ির মধ্যে পাকা কথা, বিয়ের কার্ড বিলি, এমনকি পাত্রের আশীর্বাদও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি  পাত্রের আচরণে সন্দেহ হয় পাত্রী ও তাঁর পরিবারের। অবশেষে পর্দা ফাঁস পাত্রর। জানা গেল, বহুজাতিক সংস্থায় বড় চাকরি, ফ্ল্যাটের যে কথা তিনি বলেছেন, সব ভুয়ো। চাকরিই করেন না তিনি। এরপই সেই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

আরও পড়ুন, কলকাতা মেডিক্য়াল কলেজের বন্ধ ঘর থেকে মিলল কাটা পা, শিহরিত হাসপাতাল কর্মীরা


পুলিশ জানিয়েছে, যাদবপুরের  ওই তরুণী খেয়াল করেন, যখনই অফিস বা ফ্ল্যাটের কথা শুভদীপের কাছে করা হত, তখনই তিনি এড়িয়ে যেতেন।  একদিন তরুণী খুব জোর করাতে তাঁকে একটা ফাঁকা ফ্ল্যাটে নিয়ে যান শুভদীপ। কিন্তু সেখানে তাঁদের সঙ্গে এক ব্রোকারও ছিল। সেই ব্রোকারের কথাবার্তায় সন্দেহ ওই তরুণীর। আশীর্বাদের পরে শুভদীপের অফিসে ফোন করেন তরুণী। তিনি জানতে পারেন, সেখানে ওই নামে কেউ চাকরিই করে না। এরপরেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে তরুণীর।  বুধবার শুভদীপকে নিয়ে নিউটাউনে ওই বহুজাতিক সংস্থার অফিসে যান তরুণী ও তাঁর পরিবার। তখন ধরা পড়ে গিয়ে শুভদীপ, সবকিছু স্বীকার করেন।  শুভদীপ জানান, ওই অফিসে কোনও দিনও তিনি চাকরি করেননি।

আরও পড়ুন, জোর করে রং দিলে ঢুকতে হবে শ্রীঘরে, আগাম বার্তা লালবাজারের

সূত্রের খবর, এরপরেই যাদবপুর থানায় শুভদীপ ও তাঁর পরিবারের তিনজনের বিরুদ্ধেই প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন তরুণীর পরিবার। ইতিমধ্য়েই শুভদীপকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অবশ্য় শুভদীপের বাড়ির লোকেরা  জানিয়েছেন, তাঁরা কিছুই জানতেন না। তাঁদেরও জেরা করছে পুলিশ। উল্লেখ্য় কিছুদিন আগেই দক্ষিণ কলকাতার এক মহিলা একই ঘটনা শিকার হন।

আরও পড়ুন, দোল এলেই কন্ডোম-পিলের চাহিদা তুঙ্গে, কী বলছেন শহরের বিক্রেতারা