কলকাতার মাদুরদহ এলাকায়, সহপাঠীকে গেস্ট হাউসে আটকে রেখে যৌন নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠল এক তরুণের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্য়েই গ্রেফতার করা হয়েছে ওই যুবককে। তবে ওই যুবকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্যি কি না, তা জানতে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

আরও পড়ুন, কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা, নতুন বছরেই ফিরবে বৃষ্টি

পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ ওই তরুণী নিজের বাড়িতে ফোন করে জানান, তাঁকে মাদুরদহ এলাকার একটি গেস্ট হাউসে আটকে রেখেছেন তাঁর প্রেমিক অনিরুদ্ধ পাঁজা। যৌন নির্যাতন করা হচ্ছে তাঁকে। এই খবর শুনেই সল্টলেকের বাসিন্দা ওই তরুণীর পরিবারের লোক ফোন করেন বিধাননগর কমিশনারেটে। সেখান থেকে লালবাজারে ফোন করা হয়। 

জানা গিয়েছে, অনিরুদ্ধর বাড়ি হাওড়ার লিলুয়ায়। দুজনে স্নাতক স্তরে মৌলানা আজাদ কলেজে একসঙ্গে পড়াশোনা করেছেন। তখনই তাঁদের মধ্যে একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গতকাল দুজনে বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ শিয়ালদহ স্টেশনে দেখা করেন। তারপরে ঠিক করেন দুজনে মিলে মাদুরদহের একটি গেস্ট হাউসে যাবেন । এরপর তাঁরা একটি ক্যাব বুক করেন। ওই ক্যাবে চড়েই সহপাঠীর সঙ্গে মাদুরদহের ওই গেস্ট হাউসে যান কলেজছাত্রী।

আরও পড়ুন, ঘন কুয়াশার বলি, রানিকুঠির জি ডি বিড়লা মোড়ে বাসের ধাক্কায় মৃত বৃদ্ধা

ওই কলেজছাত্রীর অভিযোগ, ওই গেস্ট হাউসে সহপাঠী তাঁকে আটকে রাখে। সেখানেই তাঁর শ্লীলতাহানিও করা হয়। এরপর কোনওরকমে সুযোগ পেয়ে মাকে ফোন করেন তরুণী। সহপাঠী অনিরুদ্ধর বিরুদ্ধে যাবতীয় ঘটনা  খুলে বলেন ওই ছাত্রী। কিন্তু ঘটনার আকস্মিকতায়, কোথায় অভিযোগ জানাবেন প্রথমে মাথায় আসেনি ওই তরুণীর মায়ের । তারপর পরিবারের লোক ফোন করেন বিধাননগর কমিশনারেটে। সেখান থেকেই  লালবাজার কন্ট্রোলরুমের ভায়া মারফত এই খবর জানানো হয় আনন্দপুর থানাকে। আনন্দপুর থানার পুলিশ ওই গেস্ট হাউসে হানা দেয় এবং সঙ্গে সঙ্গে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে। গ্রেফতার করা হয় অনিরুদ্ধকে। ইতিমধ্য়েই অনিরুদ্ধকে জেরা করেছেন তদন্তকারীরা।