'আমিও লিফটে উঠিনি, ঊনিও সিঁড়িতে ওঠেননি। আমার সবাই আন্দোলন করে উঠেছি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে আন্দোলন করেছি। মুখ্যমন্ত্রী পিছনে আছেন বলে বাংলার মানুষ আমাদের চেনে। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা থাকা উচিত।' শুভেন্দু অধিকারীর কটাক্ষের পাল্টা জবাব দিলেন পুর ও নগরোন্নয়মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বেনজির ভাষায় কটাক্ষ করলেন রাজ্যপাস জগদীপ ধানখড়কেও।

আরও পড়ুুন: অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর পাহাড় সফরে রাজ্যপাল, দার্জিলিঙে আসার কারণ জানালেন ধনখড়

স্রেফ বিধায়ক নন, খাতায়-কলমে এখনও তিনি রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী। বিধানসভা ভোটের মুখে শাসকদল তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। লকডাউনের আগে থেকে দলের কোনও কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না তাঁকে। এমনকী, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে 'সমাজসেবী' পরিচয়ে যোগ দিচ্ছেন তমলুকের প্রাক্তন সাংসদ। তাহলে কি বিজেপি যোগ দিচ্ছেন? জল্পনা তুঙ্গে রাজনৈতিক মহলে। 

শনিবার নিজের বিধানসভাকেন্দ্র নন্দীগ্রামে বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। নাম না করে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে তাঁর কটাক্ষ, 'ছোটলোকদের দিয়ে কথা বলালে আমি উত্তর দেব ভেবেছো?  আমার কোয়ালিটি এতটা নিম্নমানের নয়। কুকুর মানুষকে কামড়ালে, মানুষও কি তাই করে!' পরিবহণমন্ত্রীর আরও বক্তব্য, প্যারাস্যুটে নামার মতো বা লিফটে ওঠার মতো রাজনীতি আমি করিনি। সিঁড়ি ভেঙে ভেঙে রাজনৈতিক জীবন তৈরি করেছি। আমাকে  ওসব বলে লাভ নেই।' এবার তারই পাল্টা জবাব দিলেন পুর ও নগরোয়ন্ননমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও।

আরও পড়ুন: লকগেট ভেঙে হু হু করে বেরোচ্ছে জল, দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে ফের জলসঙ্কটের আশঙ্কা

কলকাতা নিজের দপ্তরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কেও ছেড়ে কথা বলেননি ফিরহাদ হাকিম। বলেন, রাজভবনের যোগ্য নন, ওঁনার বিজেপি-এর রাজ্য দপ্তরে বসা উচিত। দিলীপ ঘোষের উপর ভরসা রাখতে পারছেন না, তাই অমিত শাহ রাজ্যপালকে পাঠিয়েছেন।' এর আগে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার প্রশ্নের একাধিক টুইটে সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন রাজ্যপাল।