রোস ডে-র আগের দিন নিজের প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়ে গন ধর্ষনের শিকার নাবালিকা। পর্ণশ্রী এলাকার একটি বারো বছরের মেয়ে গত পরশুদিন কে বাড়িতে না বলে ঘুরতে বের হয় তার বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে। এরপর পরিবারের লোকজন বাড়ির মেয়ে বাড়িতে না আসার জন্য থানায় অভিযোগ করতে গেলে  ইকবালপুর থানার পুলিশ তাদেরকে  অপেক্ষা করতে বলে। মেয়ের ফিরে আসার আশ্বাস দেওয়া হয় থানার তরফে। গতকাল সকালে যখন মেয়ে ফিরছেনা সেই সময় মেয়ের পরিবারের তরফ থেকে আবারও পর্ণশ্রী থানায় অভিযোগ জানাতে যায়। তারপরই গনধর্ষনের ঘটনা প্রকাশ্য়ে আসার পর তদন্তে নামে ইকবালপুর থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন, শিক্ষকের মারে আহত ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি ইএসআই হাসপাতালে


সূত্রের খবর, পুলিশ পরিবারের লোকজন কে জিজ্ঞাসা করে মেয়ের সঙ্গে কারোর কোনও সম্পর্ক রয়েছে কিনা। সেই সময় থানার পুলিশ পরিবারের কাছ থেকে মেয়েটির বয়ফ্রেন্ডের নাম্বার পায়। সেই মতো ফোন করে পুলিশ। জিজ্ঞাসা করা হয় মেয়েটি তাদের সঙ্গে আছে কিনা, উল্টোদিক থেকে বয়ফ্রেন্ড বলে হ্যাঁ তাদের সঙ্গেই রয়েছে। পর্ণশ্রী থানার পুলিশ তখন তাদেরকে ওই মেয়েটিকে নিয়ে থানায় চলে আসার কথা বলে। কারণ হিসেবে জানায়, মেয়ের বাবা একটি মিসিং ডায়েরি করেছে মেয়ের বাবা, যদি না আসে তারা সেক্ষেত্রে বিপদের সম্ভাবনা থাকবে। তারপর মেয়েটির বয়ফ্রেন্ড ভয় পেয়ে মেয়েটিকে নিয়ে থানায় আসে। মেয়েটিকে দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। প্রাথমিক মেডিকেল চেকআপ করে বোঝা যায় ধর্ষণের শিকার মেয়েটি ।

আরও পড়ুন, শিয়ালদহের উত্তর শাখায় বাতিল হল একাধিক ট্রেন, রবিবার রাত বারোটা থেকে চলবে সিগন্যালের কাজ

পুলিশি সূত্রে খবর, প্রথম অবস্থায় মেয়েটি কিছু বলতে চাইছিল না। কারন কিছু বললে মেয়েটির বাবা এবং দাদাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল ধর্ষকদের তরফ থেকে। তারপর যে বয়ফ্রেন্ড তাকে নিয়ে আসে সেই বয়ফ্রেন্ডকে সঙ্গে সঙ্গে থানার পুলিশ ধরে ফেলে। জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ঘটনায় আরও তিনজনকে ইতিমধ্যেই অ্যারেস্ট করেছে পুলিশ। চারজনের বিরুদ্ধে পসকো ধারায় মামলা করা হয়েছে। আজ তাদের আলিপুর আদালতে তোলা হবে। মেয়েটি পুলিশ কে জানায় বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়ে বয়ফ্রেন্ড তাকে মমিনপুরের একটি বাড়িতে নিয়ে যায় বন্ধুদের সঙ্গে আলাপ করাতে।  সেখানে তাকে জোর করে মদ্যপান করানো হয় এমনকি এটাও সন্দেহ তাঁকে কিছু খাবার খাওয়ানো হয়েছিল সেখানে হয়তো মাদক ছিল। তারপর তাকে চার জন মিলে ধর্ষণ করে। ইতিমধ্যেই ইকবালপুর থানার পুলিশ ঘটনা তদন্তে নেমেছে।