শিক্ষকের মারে আহত ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানার দুই নম্বর ষষ্ঠী তলার রোটারি রবীন্দ্র বিদ্যালয় উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। সূত্রের খবর, দুই ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি নিয়ে ক্লাস রুমের মধ্যে শিক্ষককে জানানো হয়। আর এরপরই ক্লাসরুমের দেওয়ালে ওই দুই পড়ুয়ার মাথা ঠুঁকে দেন ভূগোল ক্লাসের শিক্ষক প্রশান্ত শেওয়াল। এরপর চলে মারধোর। শিক্ষকের মারে গুরুতরভাবে আহত হয় ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে কলকাতার ইএসআই হাসপাতালে। 

আরও পড়ুন, বিকেলের দিকে বৃষ্টির সম্ভাবনা, রবিবার ফের কমছে শহরের তাপমাত্রা

 স্কুল সূত্রে খবর,   বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গ্রুপ -ডি কর্মী জানায় যে, বাচ্চাদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি হয়। তবে ওই শিক্ষক মহাশয় দুই পড়ুয়ার  মাথায় মাথায় ঠুকে দেন। কিন্তু দেওয়ালে মাথা ঠুঁকে দেয়নি। বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক ও শিক্ষিকাকে পাওয়া যাইনি। পাঁচ পিওয়ডের পরে বিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করে  সবাই চলে যায় । তবে আশঙ্কাজনক অবস্থায় অলোক মণ্ডল ষষ্ঠ শ্রেণী ১২ বছরের  আহত ছাত্রকে উদ্ধার করে আমতলা গ্রামীন হসপিটালে নিয়ে আসা হয়। এদিকে  ছাত্রের অবস্থার অবনতি দেখে আমতলা গ্রামীন হসপিটালে চিকিংসকেরা কলকাতায় স্থান্তরিত করছেন। তবে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ষষ্ঠ শ্রেণী অলোক মণ্ডল কলকাতায় ইএসাই হসপিটালে চিকিংসাধীন।

আরও পড়ুন, পার্ক সার্কাসে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, উপস্থিত দমকলের ৪ ইঞ্জিন

সূত্রের খবর, আহত ছাত্রের পরিবারের লোকজন জানান যে, যদি তাদের ছেলে বদমাইশি করে তবে তাকে কান ধরে উঠবোস বা গার্জেন কল করতে পারতেন। কিন্তু দেওয়ালে মাথা ঠুঁকে দেওয়া ঠিক হয়নি। এমন কি শেষ ক্লাসে এমন ঘটনা ঘটেছে বাইরে এসে বমি করতে থাকে আহত ওই ছাত্র। অন্য়ান্য় ছাত্র ছাত্রীরা শিক্ষকদের জানাতেই অলোক মণ্ডলকে শিক্ষকদের ঘরের মধ্যে বসিয়ে রাখে। কিন্তু ডাক্তার বা হসপিটালে নিয়ে যায়নি কেউ। ছেলের খবর পেয়ে গিয়ে আমতলা গ্রামীন হসপিটালে নিয়ে যান ছাত্রের পরিবার। ছাত্রের পরিবারে দাবি, দ্বিতীয় বার শিক্ষক মহাশয় কারও সঙ্গে এই আচরণ না করেন। তাদের বাচ্চার মতো যেন কাউকে ভুগতে না হয়। তাদের বাচ্চা এখন আতঙ্কে আছে, তাই ওই শিক্ষক মহাশয়ের শাস্তি দাবি করছে ওই পরিবার। এই ঘটনায় বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগও দায়ের করছেন আহত ছাত্রের পরিবার।