এবার তৃণমূলের সাংসদ নুসরত জাহানের পাশে দাঁড়িয়ে ফের বিতর্কে জড়ালেন মেঘালয়ের রাজ্য়পাল তথাগত রায়।  তথাগতর টুইট ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে টুইটারে। মূলত, নেট দুনিয়ায় ধর্ম নিরপেক্ষদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মেঘালয়ের রাজ্যপাল। 

টুইটারে তথাগত বলেছেন, তসলিমা নাসরিনের পর এবার ফের প্রকাশ্য়ে হত্যার হমকি দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের সাংসদ নুসরত জাহানকে। প্রকাশ্য়েই বলা হয়েছে, বিপদের মুখে ইসলাম তাই খতম করে দিতে হবে নুসরতকে। এই কথা বলেছেন খোদ কংগ্রেসের আইটি সেলের কনভেনার। সম্প্রতি দুর্গাপুজোয় দেবী দুর্গার কাছে অঞ্জলি দিতে দেখা যায় তৃণমূলের সাংসদ নুসরত জাহানকে। এমনকী মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের পাশে স্বামী নিখিল জৈনের সঙ্গে ঢাকও বাজান নুসরত। যা ঘিরে মুসলিম ধর্মগুরুরাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়। তাঁরা দাবি করেন, ভিন ধর্মের উৎসবে অংশ নিলেও, তাতে সক্রিয় ভাবে যোগদানের কোনও প্রয়োজন ছিল না নুসরতের। এরকম করতে চাইলে নিজের ধর্ম পরিবর্তন করে নিলেই পারেন এই সাংসদ ৷ 

 

উত্তরপ্রদেশের দারুল উলুম দেওবন্দের এক ধর্মগুরু জানিয়ে দেন, এভাবে মুসলিম হয়ে আল্লা ছাড়া অন্য কোনও ভগবানকে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা যায় না৷ তিনি বলেন,ইসলাম এই ধরনের কাজকে সমর্থন করে না ৷ আল্লা ছাড়া অন্য কারও উপাসনা করা ইসলামের চোখে হারাম। তাঁর দাবি, কোনও মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষ অন্য ধর্মের হয়ে উপাসনা করতে পারেন না৷ সেটা করতে হলে তাঁকে ধর্মান্তরিত হতে হবে। এখানেই থেমে থাকেনি নুসরতের প্রতি ক্ষোভ। নেট দুনিয়ায় কিছু লোক লিখেছেন,দুর্গাপুজোয় অঞ্জলি দেওয়া ও ঢাক বাজানোর জন্য নুসরতকে পুড়িয়ে মারা হোক। যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মেঘালয়ের রাজ্যপাল। টুইটারে তথাগত লিখেছেন, দুর্গাপুজোর মণ্ডপে আজান বাজানোয় হিন্দুরা আপত্তি তুললে তথাকথিত ধর্ম নিরপেক্ষরা সরব হন। অথচ নুসরত দেবীকে প্রণাম করে নাঁচলে তা ইসলাম অবমাননা হয়। তখন মুসলিম ধর্মগুরুদের হুমকির কথা শুনেও চারিদিকে শ্মশানের নিস্তব্ধতা থাকে। এ কেমন বিষয়।