ইডি সূত্রের খবর 'অপা ইউটিলিটিজ সার্ভিসেস' নামে ওই অংশীদারি সংস্থাটি খোলা হয়েছিল ২০১২ সালের পয়লা নভেম্বর। প্রতি বছর ব্যালান্স শিট জমা দিয়ে আয়কর দিত সংস্থাটি। কিন্তু কীসে ও কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করত, কী ভাবে কাজ করত, সে সম্পর্কে এখনও কোনও তথ্য মেলেনি।

অনেক দিন ধরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্ক অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের। তারা মুখে যতই অস্বীকার করুন না কেন, ইডির তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক তথ্য। ইডির আধিকারিকদের দাবি কমপক্ষে নয় বছরের সম্পর্ক একে অপরের। ধীরে ধীরে বেড়েছে সেই ঘনিষ্ঠতা। ইডি জানাচ্ছে, দুজনের পার্টনারশিপ সংস্থার মেয়াদ থেকে তেমনই স্পষ্ট। সংস্থাটি তৈরি হয়েছিল ২০১২ সালের ১ নভেম্বর। তাহলে সম্পর্কের শুরুটাই আপাতত সেখান থেকে বলে ধরা হচ্ছে। নয় বছর ধরে সেই পার্টনারশিপ সক্রিয় ছিল বলে খবর। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ইডি সূত্রের খবর 'অপা ইউটিলিটিজ সার্ভিসেস' নামে ওই অংশীদারি সংস্থাটি খোলা হয়েছিল ২০১২ সালের পয়লা নভেম্বর। প্রতি বছর ব্যালান্স শিট জমা দিয়ে আয়কর দিত সংস্থাটি। কিন্তু কীসে ও কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করত, কী ভাবে কাজ করত, সে সম্পর্কে এখনও কোনও তথ্য মেলেনি। ওই সংস্থার নামে চারটি ফ্ল্যাটের হদিশ মিলেছে। আর কোথায় কী সম্পত্তি রয়েছে, সেটিও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। 

'অপা ইউটিলিটি'র ১০০ শতাংশের শেয়ারের হোল্ডার মাত্র দুই জন। একজন পার্থ অন্যজন অর্পিতা। দুজনের নামেই রয়েছে ৫০ শতাংশ করে শেয়ার। এই সংস্থার নামে আবার চারটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এই সম্পত্তি বা সংস্থা সম্পর্কে বিশদে তথ্য পেতে মরিয়া চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এপর্যন্ত অর্পিতার নামে মোট পাঁচটি ফ্ল্যাটের সন্ধান পেয়েছেন তাঁরা। আর পেয়েছেন দুজনের অঢেল সম্পত্তির হদিশ। 

ইডি আধিকারিকদের অর্পিতা জানিয়েছেন ওই সংস্থার ২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের কথা। এরপরেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে ইডি। কলকাতা হাইকোর্টকে ইডি জানিয়েছেন তাঁরা অর্পিতার বেশ কিছু জীবনবীমার সন্ধানও পেয়েছেন। যারমধ্যে ৩১টির নমিনিতে রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের নাম। ইডির দাবি এই তথ্য থেকেই পরিষ্কার যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অর্পিতার ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে। তাই অর্পিতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস সন্ধান যে পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানা তা নিয়েও ইডির অন্দরে কোনও দ্বিমত নেই।

এদিকে, সময় যত যাচ্ছে ততই লম্বা হচ্ছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ঘনিষ্ট হিসেবে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সম্পত্তির তালিকা। কোনওটা নামে কোনওটা আবার বেনামে। এবার পার্থ অর্পিতার নামে একটি সংস্থার সন্ধান পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। যার নাম 'অপা ইউটিলিটি সার্ভিসেস'। এবারও সেই জল্পনা উস্কে দিয়েছে শান্তিনিকেতনের বাড়ির মত এটাই অর্পিতা আর পার্থর নামের সঙ্গে মিলিয়ে নাম রাখা হয়েছে? যাই হোক এই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি।