সাত সকালেই সওয়ারিতে ভরল  ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো। শনিবার ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোতে উঠে পাওয়া গেল এক ঝাক পড়ুয়া, অফিসগামী যাত্রী আর ঘুরতে বেরনো শহরবাসীকে। তারা সকলেই কম বেশী জানাল তাদের মনের কথা আমাদের সংবাদ মাধ্য়মের কাছে। বেশীরভাগ যাত্রীই খুব খুশি নতুন মেট্রো পেয়ে। অনেকেই আবার আফসোসের গলা জানাল, 'ইস যদি মেট্রোটা ফুলবাগান অবধি হত, বেঁচে যেতাম।'

আরও পড়ুন, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো চলছে চমক দিয়ে , আনন্দ-আবেগে একাকার কলকাতাবাসী

বাপন দাশ জানালেন তাঁর আফসোসে কথা আমাদের সংবাদ মাধ্য়মের কাছে,   ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো যদি ফুলবাগান অবধি করা হত তাহলে আরও স্বস্থি পাওয়া যেত। স্টেডিয়াম থেকে মেট্রোতে উঠে এক দম্পতি জানালেন, তাদেরও খুবই সুবিধা হত যদি ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো ফুলবাগান অবধি করা হত।সেক্টর ফাইভ থেকে উঠে ভক্তিপদ ঘোষ জানালেন অবশ্য় অন্য় কথা। তার ক্ষোভ মেট্রো-র ভাড়া নিয়ে। তাঁর অভিযোগ, 'বাকি স্টেশনগুলি পাঁচ টাকা, তাহলে স্টেডিয়াম কেন দশ টাকা করা হল।' তবে তার পাশাপাশি খুশি মেট্রোয় বাড়তি পরিষেবা পেয়ে। 

আরও পড়ুন, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো তাদের বাঁচার পথ দেখিয়েছে, সওয়ারি পেয়ে খুশি রিক্সাওয়ালা


সূত্রের খবর, গত বৃহস্পতিবার সন্ধেয়, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো শুভ উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। উল্লেখ্য়  ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো-র সেক্টর ফাইভ থেকে সল্টলেক স্টেডিয়াম পর্যন্ত  প্রতি ২০ মিনিট অন্তর মেট্রো পরিষেবা থাকবে। ভাড়া নেওয়া হবে প্রথম ২কিমির জন্য় ৫ টাকা এবং সর্বাধিক ১০ টাকা।ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো গতিবেগ ৮০ কিমি প্রতি ঘন্টা।পুরো যাত্রাপথ যেতে সময় লাগবে ১৪ মিনিট। অবশ্য় ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোতেও স্মার্ট কার্ড ব্য়বহার করা যাবে।  প্ল্য়াটফর্মে দুর্ঘটনা এড়াতে থাকছে বিশেষ স্কিন ডোর এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো সবকটা ট্রেনই বাতানুকূল করা হয়েছে। ট্রেন নিয়ন্ত্রণের সব ব্য়বস্থাই স্বয়ংক্রিয় থাকছে। প্রতি কামরায় থাকছে ডিসপ্লে বোর্ড এবং ৪ সিসি ক্য়ামেরা।এছাড়াও জরুরী অবস্থায় কথার জন্য় থাকছে মাইক্রোফোন,প্রত্য়েক কামরায় থাকছে একটি করে হুইল চেয়ার। প্রতিটি স্টেশনে থাকছে শৌচালয় এবং থাকছে একাধিক এসকেলেটর, লিফট।