মুকুল রায়ের স্ত্রীর স্বাস্থ্যের খবর নিতে এবার ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা মুকুল রায়কে ফোন করেন মোদী।  অভিষেকের পরেই  মোদীর ফোন আসায় রাজ্য-রাজ্যনীতিতে শুরু জোর জল্পনা। 

আরও পড়ুন, 'শুভেন্দুর মত অত খারাপ না মুকুল' পুরোনো বাণীই কি টানছে, 'কৃতজ্ঞতা'য় মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু 

 

 


প্রসঙ্গত, বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের স্ত্রী সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গত তিন সপ্তাহ ধরে তিনি এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শারীরিক অবস্থাও জটিল। একমো সাপোর্টে রাখা হয়েছে তাঁকে। সূত্র মারফত খবর, গত এই ১৫ দিনে তাঁকে দেখতে কোনও বিজেপি নেতাই হাসপাতালে যাননি। বুধবার তাঁকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এরপরেই কি নড়ে বসে বিজেপির শীর্ষ নের্তৃত্ব, গুঞ্জন রাজ্য-রাজনীতিতে। কারণ তৃণমূলের যুবরাজ দেখা করে যেতেই আর এক মুহূর্ত দেরি করেননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আর তারপরেই এদিন সকাল সাড়ে ১০ টায় বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা মুকুল রায়কে ফোন করেন মোদী। মিনিট দুয়েকের ফোনালাপে কেমন আছেন মুকুল-পত্নী, চিকিৎসা কেমন চলছে, এসকল বিষয়েই খোঁজ খবর নেন। 

আরও পড়ুন, মুকুল রায়ের স্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে অভিষেক, এবার কি তবে 'ঘর ওয়াপসি' 

 

 

 এদিকে বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, সঙ্কটের সময় সব ভূলে গিয়ে একসঙ্গে আসাই ভালো। কষ্টের সময় একসঙ্গে থাকা উচিত। পূর্ব-পরিচিত, দেখা করতেই পারেন।' আর  দিলীপ ঘোষের এই বার্তাই বাবা-ছেলের মা-মাটি-মানুষের কাছে ফিরে যাওয়ার জল্পনাকে উসকে দিয়েছে।তবে অভিষেক-শুভ্রাংশ সাক্ষাতের পরেই দলীয় নেতা মুকুল রায়ের কথা মনে পড়ল কি বিজেপির শীর্ষ নের্তৃত্বের, এই ফোনালাপের পরেই উঠেছে প্রশ্ন। নাকি ঘর ভাঙার 'সিঁদুরে মেঘ' দেখা শুরু করেছে বিজেপিও। সেই আশঙ্কাতেই ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টায় তাঁরা নেমেছে কিনা, চাপান উতোর রাজনৈতিক মহলে।