চিড়িয়ামোড়ে বেআইনি নির্মাণ ভাঙাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে।

সূত্রের খবর,কলকাতা পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালিবাবুর মাঠের কাছে বেআইনি নির্মাণ ভাঙাকে কেন্দ্র করে বুধবার উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বাড়িটি প্রোমোটিং হচ্ছিল আগে থেকেই । এক সময় প্রোমোটার বিমল সাহা বিল্ডিং-এর  কাজ বন্ধ করে চলে যান। পরে পাড়ার চারজন যুবক বিল্ডিং-এর কাজ করার দায়িত্ব নেয়।  বাড়ির মালিক রাধেশ্যাম তালুকদার এবং তার স্ত্রী ওই বাড়ির একতলায় থাকেন। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, হঠাৎ বুধবার সিঁথি থানার পুলিশ এবং কলকাতা পুরসভার লোকজন এসে আচমকা নির্মাণ ভাঙতে শুরু করে। তখন বাড়ির মালিক এবং তার স্ত্রী কারণ জিজ্ঞেস করলে, বাড়িটি বেআইনি নির্মাণ বলে জানায় পুরসভার লোকজন। এর পরেই আশেপাশের লোকজন বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। সরকারি কাজে আসা লোকজন নির্মাণ কাজে ভাঙতে থাকলে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে স্থানীয়রা। যার জেরে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, সিঁথি থানার পুলিশ পুরুষ, মহিলা বিচার না করে আচমকা লাঠিচার্জ শুরু করে। যাতে বেশ কয়েকজন আহত হন। এলাকাবাসীর একাংশের অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে তৃণমূলের সাংসদ শান্তনু সেন জড়িত। কাটমানি পায়নি বলেই তিনি এই কাজ আটকে দিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার লোকজন নির্মাণ ভাঙার ছবি করতে গেলে মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে পুকুরে ফেলে দেয় পুলিশ।