করোনা আতঙ্কে এবার বড়সড় চাপের মুখে রাজ্যের পোলট্রি শিল্প। আমজনতা চিকেন এড়িয়ে চলায়, ইতিমধ্যে মহারাষ্ট্রে কয়েক'শো কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। এ বার সেই ক্ষতির তালিকায় নাম জুড়েছে পশ্চিমবঙ্গেরও। ইতিমধ্যেই আর্থিক ক্ষতির পরিমান  ৩০০ কোটি ছাড়িয়েছে।

আরও পড়ুন, কলকাতার তাপমাত্রা নামল স্বাভাবিকের নিচে, বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রকম খবর ছড়াচ্ছে নেটদুনিয়ায়। যার অধিকাংশই ভিত্তিহীন।সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ ছড়িয়েছেন, ব্রয়লার মুরগি থেকে করোনাভাইরাস ছড়াচ্ছে। কিছু ভুয়ো ভিডিয়োও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যা দেখে সাধারণ মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। এদিকে পশ্চিমবঙ্গ পোলট্রি ফেডারেশনের বক্তব্য, মুরগির সঙ্গে করোনার যে সম্পর্ক নেই, এ নিয়ে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে। তবুও লোকে আশ্বস্ত হতে পারছেন না। ফলে, চাহিদার তেমন উন্নতি হয়নি। রাজ্যের কাছেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা।ফেডারেশনের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, গুজবের জেরে শেষ তিন সপ্তাহে রাজ্যে জ্যান্ত ব্রয়লার মুরগির বিক্রি কমেছে ৪০ শতাংশ। গোটা মুরগির পাইকারি দাম ঠেকেছে কেজি প্রতি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। যেখানে খামারে মুরগি বড় করতেই প্রতি কেজিতে খরচ হয় প্রায় ৮০ টাকা।

আরও পড়ুন, ১৪ দিনের লড়াইয়ের পর ছুটি দিব্যাংশের, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ শিশুর পরিবারের


উল্লেখ্য়, দুই বছর আগে ভাগাড়কাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পরে পোলট্রি শিল্পে প্রভাব পড়েছিল। রাজ্যে মুরগির মাংসের চাহিদা এক ধাক্কায় অনেকটা কমে গিয়েছিল। সেসময়ে পোলট্রি শিল্পে ক্ষতি হয়েছিল প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। এ বার সেই ক্ষতিকেও ছাপিয়ে যেতে পারে করোনা-আতঙ্ক। রাজ্যের সর্বত্র পোলট্রির মুরগির চাহিদা প্রচুর পরিমানে কমে এসেছে।  মন্দার বাজারে চিকেনের দাম কমিয়েও, সেই ক্ষতি ভরপাই করতে পারছেন না পোলট্রির কারবারিরা।

আরও পড়ুন, অস্ত্রোপচারের পর ৩ বার ছিঁড়ে গেল নিম্নমানের সুতো, এনআরএস-এ মৃত্যু দশ দিনের শিশুর