লকডাউনে বাজারে  গিয়ে সংক্রমণ ঠেকাতে 'সামাজিক দূরত্ব' -র কথা বলেও হার মানলেন তরুণী। তাই মোবাইলে ভিড়ের ভিডিয়ো করতে এগিয়ে এল ভাই। এরপরই দুজনেই জনরোষের শিকার হয়।  বেধড়ক মারধোর করা হয় বলে অভিযোগ।ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুরে।


আরও পড়ুন, এমআর বাঙ্গুরের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৫ রোগীর মৃত্যু, কারণ জানতে অপেক্ষা নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টের
 
শনিবার বারুইপুর পুরসভার ৭ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝ বরাবর পুরোনো থানা এলাকায় অটো ও টোটোচালকদের জন্য খাদ্য সামগ্রী বিলি-বণ্টনের বন্দোবস্ত করেছিল পরিবহণ সংগঠন। যার জেরে ভিড় জমান পুরোনো থানা চত্বরে। সকালে স্থানীয় বৈদ্যপাড়ার বাসিন্দা দেবযানী পাল বাড়ি থেকে  ভিড় দেখতে পান। তিনি সকলকে দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে বলেন। কিন্তু কেউ তাঁর কথা শোনেনি। এরপর তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় সামাজিক দূরত্ব না মেনে ভিড়ের ভিডিয়ো করতে গেলেই ধুন্ধুমার বাঁধে।  প্রবল হেনস্থার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। দেবযানীর  চিৎকারে এগিয়ে আসেন তাঁর ভাই বাপ্পা। বাপ্পার সঙ্গেও ঝামেলা বেধে যায়। প্রতিবাদ করাতে বাপ্পাকে বাঁশ দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় বাপ্পাকে নিয়ে আসতে হয় বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে। তাঁর মাথায় দুটি সেলাই পড়েছে।

আরও পড়ুন, পার্ক সার্কাসের বেসরকারি হাসপাতালে প্রৌঢ়ের মৃত্য়ু, করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসতেই অভিযোগ তুলল পরিবার

অপরদিকে, ঘটনাকে দুঃখজনক বলেছেন বারুইপুর ব্লক আইএনটিটিইউসি সভাপতি বিভাস সর্দার। তিনি বলেন, 'আমিও ওই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। এ দিন সংগঠনের তরফে অটো ও টোটোচালকদের জন্য কিছু সাহায্য প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আচমকাই ওই তরুণী বচসা জুড়ে দেন। এরপর ওর ভাই এলে গন্ডগোল আরও বেড়ে য়ায়। ইতিমধ্য়েই বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বাপ্পা এবং দেবযানী। বারুইপুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

 

এনআরএস-র আরও ৪৩ জন স্বাস্থ্য কর্মীর রিপোর্ট নেগেটিভ, স্বস্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

করোনার রোগী সন্দেহে বৃদ্ধকে বেধড়ক মার, স্যালাইনের চ্যানেল করা হাতে দড়ি পড়ালো মানিকতলাবাসী

করোনায় আক্রান্ত এবার কলকাতার ২ ফুটপাথবাসী, হোম কোয়ারেন্টাইনে উদ্ধারকারীরা