শুক্রবার ছটপুজো উপলক্ষে কৃত্রিম জলাশয়ের ব্য়বস্থা করল সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার।  শুক্রবার এবং শনিবার দুদিন ছটপুজো। শুক্রবার সাতসকালেই শহরের ঘাটে ঘাটে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন। যাতে কোনও ভাবেই মানুষ অসচেতনভাবে নিষিদ্ধ সরোবরে গিয়ে ছট পুজো না দেয়। সেজন্যই মানুষের সচেতনা বাড়িয়ে সাহায্য়ের হাত বাড়িয়ে দিল  সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার।

 

 

 

আরও পড়ুন, 'আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ৬ হাজার কোটি গেল কোথায়', বিজেপিকে প্রশ্ন চন্দ্রিমার

'সকলকে জানাই সাদর আমন্ত্রণ'

প্রসঙ্গত, গত ২ বছর নিষেধাজ্ঞা সত্বেও সুভাষ সরোবর-রবীন্দ্র সরোবরে ছটপুজো নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সমালোচনার মুখে পড়ে প্রশাসন। তবে এবার করোনার কারণে হাইকোর্টে নির্দেশ পুজোতেও মানতে হয়েছে উদ্য়োক্তা থেকে দর্শনার্থীদেরও। হাইকোর্ট ও পরিবেশ আদালতের রায়ই বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কেএমডিএ-র  আবেদন খারিজ করা হয়েছে। তাই সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার ক্লাব কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, 'সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে কৃত্তিম কৃত্রিম জলাশয় তৈরি করে ছট পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। সমস্ত রকম করোনা বিধি মেনে এবং পরিবেশ বান্ধব এই অনুষ্ঠানে আপনাদের সকলকে জানাই সাদর আমন্ত্রণ'। 

আরও পড়ুন, 'মালদা বিস্ফোরণে বোমার যোগাযোগ নেই', রাজ্যপাল-বিজেপিকে পাল্টা জবাব নবান্নের

 

'সরকার-পুলিশ প্রশাসন আপনার সঙ্গে রয়েছে।'

 

 তবে শুধু সন্তোষমিত্র স্কোয়ার নয়,  ছটপুজোর জন্য সাধারণ মানুষের জন্য তাদের বাড়ির কাছেই এই কৃত্রিম জলাশয় করা হচ্ছে। এ বছর মোট ৪৫ টি ঘাট করা হয়েছে। তার মধ্যে ১৬ টি কৃত্রিম জলাশয় রয়েছে কলকাতা পৌরসভার পক্ষ থেকে সমস্ত বন্দোবস্ত করে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় যেখানে কৃত্রিম জলাশয় থাকছে তার পাশে বায়ো-টয়লেট, চেঞ্জিং রুম পর্যাপ্ত পরিমাণে আলোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী  মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় জানিয়েছেন, 'আদালতের নির্দেশ মেনে আমাদের চলতে হবে। ছোট ছোট দলে দূরত্ববিধি মেনে পুজো দিন। আার যাতে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে না পরে সেটাও খেয়াল রাখতে হবে।  সরকার-পুলিশ প্রশাসন আপনার সঙ্গে রয়েছে।'