দমদম পার্কে তৃণমূল নেতার উপরে হামলা তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি- বোমা হাসপাতালে ভর্তি আহত তৃণমূল নেতা বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দমকলমন্ত্রীর  

ভরসন্ধ্যায় দমদম পার্কে তৃণমূলের যুবনেতাকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ। বরাতজোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন যুব তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ প্রসাদ। তাঁর পায়ে বোমার আঘাত লেগেছে বলে জানিয়েছেন দমকলমন্ত্রী এবং স্থানীয় বিধায়ক সুজিত বসু। অল্প আহত হয়েছেন বিশ্বজিতের তিন সঙ্গীও। আহত ওই তৃণমূল নেতাকে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা যুক্ত বলে অভিযোগ করেছেন দমকলমন্ত্রী।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আহত ওই তৃণমূল নেতা দমদম পার্ক তরুণ দল পুজো কমিটির সম্পাদক। এ দিন সন্ধ্যায় এলাকারই একটি চায়ের দোকানের সামনে সঙ্গীদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। তখনই সেখানে তিন দুষ্কৃতী মোটরবাইক করে এসে তাঁর উপরে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ওই তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। দুষ্কৃতীরা বোমাও মারে। প্রথমে ওই তৃণমূল নেতা গুলিবিদ্ধি হয়েছেন বলে জানা গেলেও পরে দমকলমন্ত্রী হাসপাতালে গিয়ে দাবি করেন, বিশ্বজিতের পায়ে বোমার স্প্লিন্টার ঢুকে তিনি আহত হয়েছেন। 

স্থানীয় বাসিন্দারাই আহত তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় লেকটাউন থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকেই দু'টি তাজা বোমা এবং একটি পিস্তল উদ্ধার হয়। আহত তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে দেখা করে হামলাকারীদের খোঁজ পেতে চাইছে পুলিশ। 

আহত তৃণমূল নেতাকে হাসপাতাল থেকে দেখে বেরনোর সময় অভিযোগ করেন, এলাকায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য বন্ধ হয়ে যাওয়াতেই হামলার শিকার হতে হয়েছে এলাকার জনপ্রিয় ওই তৃণমূল নেতাকে। ঘটনার পিছনে রাজেশশ নায়েক, বাবু নায়েক এবং গেদু নামে কয়েকজন বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী। দলীয় রং না দেখে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গেও কথা বলেন দমকলমন্ত্রী। স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজনের অভিযোগ। পুজোর দখল নিয়েও এর আগে ওই এলাকায় গন্ডগোল হয়েছে বলে খবর। হামলার পিছনে পুজোর দখলদারি কোনও কারণ কি না, তাও এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও এ দিনের ঘটনার পর আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।