করোনা রুখতে লকডাউন চলছে রাজ্য়জুড়ে। লকডাউনের জেরে অনেকেই কাজ হারিয়েছেন। ফুরিয়েছে টাকা।  যার দরুণ খাবার কেনার সামর্থও হারিয়েছেন। আর সেই তালিকায় রয়েছে রাজ্য়ে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিক। আর তাদের দিকেই সাহায্য়ের হাত এগিয়ে দিলেন দাশু সাহা। জরুরী পরিস্থিতিতে প্রতিদিন দুবেলা পেটভরে খাওয়ানোর ব্য়বস্থা করে মানবিকতার চূড়ান্ত ভূমিকা পালন করছেন।

 

 

 

৫০০ টাকা করে ঢুকছে অ্যাকাউন্টে, মোদীকে নমস্তে জানালো কলকাতা


রাজ্য় জুড়ে যখন লকডাউন শুরু হয়েছে, সেই সময় অসহায় মানুষদের সাহায্য় করতে চান বলে শহরের পেশায় ব্য়বসায়ী দাশু সাহা, রাজ্য় প্রশাসনকে চিঠি লেখেন। তিনি জানান, লকডাউন পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছায় সাহায্য়ের হাত এগিয়ে দিতে চান অসহায়-দুঃস্থ মানুষদের প্রতি। সঙ্গে তিনি এটা জানিয়েছিলেন যে, তার ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে। তিনি গাড়ি চালিয়েও সাহায্য় করতে প্রস্তুত। তাই জরুরী পরিস্থিতিতে প্রশাসনের কোনও কাজে তিনি থাকতে পারলে কৃতজ্ঞ থাকবেন। তিনি এবিষয়ে চিঠি পাঠিয়ে মানবিক আবেদন জানিয়েছিলেন রাজ্য়ের পুলিশ কমিশনার, স্বাস্থ্য সচিব এবং পাটুলি থানার ওসি-কে। এরপরই লকডাউন পরিস্থিতিতে শহরে আটকে পড়েন ভিন রাজ্য়ের শ্রমিক। এরপরই পাটুলি থানার তরফে দাশু সাহার দায়িত্বে ওই পরিযায়ী শ্রমিকদের পাঠানো হয়। সেই পরিযায়ী শ্রমিকরা প্রত্য়েকেই উত্তরপ্রদেশ-বিহারের বাসিন্দা।উল্লেখ্য় পাটুলি থানার তরফে জানানো হয়েছে আরও ১১জন নতুন করে পাঠনো হতে পারে।  দাশু সাহা জানিয়েছেন, এই কাজে নিজেকে রাখতে পেরে তিনি সার্থক।

 

 

নিজামুদ্দিন ফেরত কতজন রাজ্য়ে, বিজেপির অভিযোগের জবাব দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী

 


অপরদিকে একইভাবে পাটুলিথানার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন স্বেচ্ছাসেবক প্রিয়াঙ্কা সাহা। এই মুহূর্তে প্রিয়াঙ্কা সাহাও, দাশু সাহার এই কর্মকাণ্ডে সাহায্য়ের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি  এই কর্মকাণ্ডে এলাকার ক্লাবের চিন্তা বাবু নামের এক স্বেচ্ছাসেবকও রয়েছেন। লকডাউনে দাশু সাহার এই মানবিক উদ্য়োগে সাহায্য়ের হাত এগিয়ে দিয়েছেন, চাল ব্য়বসায়ী থেকে মুদির নানা ছোটখাট ব্য়বসায়ীরাও।  প্রতিদিন ডালে-চালে রান্না বসছে ২৫ জন পরিযায়ী শ্রমিকের। কোনও দিন খিচুড়ি, কোনও দিন ডাল-ভাত-সবজি। আবার এর মাঝে মাংস-ডিমও খাওয়ানোর ব্য়বস্থা করেছেন পরিযায়ীদের প্রাণের মানুষ দাশু সাহা। অবশ্য় রান্না করছেন শ্রমিকরা নিজেই। লকডাউন না ওঠা অবধি পাটুলি থানার কাছেই পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য় এখন এটাই অস্থায়ী ভরসাযোগ্য় ঠিকানা। 
 

এনআরএস-র আরও ৪৩ জন স্বাস্থ্য কর্মীর রিপোর্ট নেগেটিভ, স্বস্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

করোনার রোগী সন্দেহে বৃদ্ধকে বেধড়ক মার, স্যালাইনের চ্যানেল করা হাতে দড়ি পড়ালো মানিকতলাবাসী

করোনায় আক্রান্ত এবার কলকাতার ২ ফুটপাথবাসী, হোম কোয়ারেন্টাইনে উদ্ধারকারীরা