অবশেষে আইনি জট কাটল কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হাইকোর্টের লিখিত পরীক্ষায় সফলদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে নিয়োগ  প্রক্রিয়া শুরু হবে ডিসেম্বরে  

ডিসেম্বর মাস থেকেই রাজ্যে সরকারি স্কুলের কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। শুক্রবার নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের নির্দেশ, আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে বিশদ তথ্য-সহ লিখিত পরীক্ষায় সফল পরীক্ষার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করতে হবে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে। যদি সেই তালিকা নিয়ে কোনও কর্মপ্রাথী সংশয় থাকে, ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত কমিশনকে তা জানানো যাবে। ১৩ ডিসেম্বরের পর উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে স্কুল সার্ভিস কমিশন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred


২০১৬ সালে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। লিখিত পরীক্ষা হয় ২০১৭ সালের জুন মাসে। লিখিত পরীক্ষার পর নিয়মমাফিক সফল কর্মপ্রার্থীদের তালিকা তৈরি করে ফেলে কমিশন। এমনকী, ২০১৮ সালে চাকরিতেও যোগ দিয়েছেন ৮৯০ জন। চাকরি পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন ৮০৩ জন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, এ বছরের জানুয়ারি মাসে তাঁদের নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যেত। কিন্তু আইনি জটে আটকে যায় নিয়োগ প্রক্রিয়া। কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করে কলকাতা হাইকোর্ট।

কিন্তু কেন? শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার পর যাঁরা ওয়েটিং লিস্টে ছিলেন, তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বেনিয়মের অভিযোগ তুলে মামলা করেন কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাকারীদের বক্তব্য ছিল, লিখিত পর যাঁরা মৌখিক পরীক্ষা বা ইন্টারভিউ-তে ডাক পেয়েছেন, আগে তাঁদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। শেষপর্যন্ত উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করে দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শেখর ববি শরাফ। এরপর মামলাটি চলে আসে বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের এজলাসে। তিনি বেশ কয়েকবার অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ান। অবশেষে আইনি জট কাটল।