রাজ্য়পালের 'মুখ বন্ধ করতে' এবার রাষ্ট্রপতির কথা টেনে আনলেন তৃণমূলের মহাসচিব। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাষ্ট্রপতি কি প্রত্যেকদিন সব কথা বলে করেন। উনি তো রাষ্ট্রপতির উপর দিয়ে যাচ্ছেন। 

কলকাতায় ক্রমশ বাড়ছে করোনা আতঙ্ক, উপসর্গ নিয়ে বেলেঘাটায় ভর্তি চিন-ফেরত যুবক

সৌজন্য়  সাক্ষাৎকারের পরও কাজ হল না। রাজভবনে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে জগদীপ ধনখড়ের আলোচনার ফল হল শূন্য। উল্টে বাজেট ভাষণে নিজের বক্তব্য় যোগ করার উল্লেখ করেছেন রাজ্য়পাল। রাজ্য় সরকারের বুলি  না আওড়ে নিজের আলাদা ভষণের কথা বলায় তাঁর ওপর বেজায় চটেছে তৃণমূল। বুধবার যা নিয়ে বলতে ছাড়লেন না  শিক্ষা মন্ত্রী। এদিন তিনি বলেন, উনি যা বলার ভাষণে বলুন না। কে না করছে।  রাজ্যপাল রাজ্যপালের কথা বলেছে। আমরা সেটাকে কীভাবে ক্রস করব, সেটা আমাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার । আর উনি কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নাকি যা কিছু করবে সব কিছু বলতে হবে। রাষ্ট্রপতি কি প্রত্যেকদিন সমস্ত কথা বলে করেন। উনি তো রাষ্ট্রপতির উপর দিয়ে যাচ্ছেন। 

চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে বিপত্তি, হাত ও পা কাটা গেল যুবকের

এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি পার্থবাবু। রাজ্য়পালকে বার্তা দিয়ে তিনিবলেন, বাংলাকে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন। সেই কাজে সামিল হন। তাহলে বাংলা ঠিক সোনার বাংলা হবে । সব ব্যাপারে কথা বলার দরকার নেই । প্রতিদিন একটা না একটা বিতর্ক সৃষ্টি করছেন কথা বলে। আমরা সাধারণ মানুষের দ্বারা ভোটে জিতে সরকার গঠন করেছি। আমরা মনোনীত নই ।উনি যা করার করুন, সেটা সবসময় না বললেই হয়। এই নিয়ে প্রতিদিন ঝগড়াঝাঁটির মধ্যে গিয়ে লাভ কী। 

দাবি পূরণ হয়নি, ভোট প্রক্রিয়া বয়কটের হুমকি আদিবাসীদের

বুধবার বেহালা পশ্চিমে সিএএ ও এনআরসি-র বিরোধিতায় মানবশৃঙ্খল করে সেখানকার বাসিন্দারা। ঠাকুরপুকুর জোকা থেকে বেহালা ম্যানটন পর্যন্ত ছিল মানব বন্ধন। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এরপর সিএএ, এনআরসি নিয়ে বিরোধিতায় সামিল হন। গাড়ি  থেকে হাত নেড়ে স্বাগত জানান মানব শৃঙ্খলকারীদের। 

কদিন আগেই প্রেসিডেন্সির  হিন্দু হোস্টেলের পড়ুয়ারা ঘেরাও করেন উপাচার্যকে। এদিন তা  নিয়ে  মুখ খোলেন পার্থবাবু। তিনি বলেন, আমি  সমস্যার সমাধানে ছাত্রছাত্রী ও উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলব। ছাত্র-ছাত্রীদের আমি অনুরোধ করব যেন দাবিদাওয়া থাকলে তারা লিখিত দিক। আমরা সেটা দেখব। কিন্তু ঘেরাও কে আমি কোনদিনও সমর্থন করিনা। আমি নিজেও ছাত্র জীবনে কোনদিনও কাউকে ঘেরাও করিনি। অতএব এটাকে কোনওরকম ভাবে সমর্থন করা সম্ভব নয়।