তৃণমূলে ফিরলেই কি মানুষের চরিত্র বদলে যায়। দলে ফিরলেও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে মেয়র প্রজেক্ট করবে না তৃণমূল। বেহালা পূর্বের দায়িত্ব থেকে সরেই প্রাক্তন মেয়রকে পাল্টা আক্রমণ করলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। যার জেরে আরও এক ধাপ এগোল জল্পনা। তবে কি পদ্ম ছেড়ে ফের ঘাসফুলে ফিরছেন শোভন। 

জল্পনায় জল ঢেলে রত্না বললেন, "বৈশাখীর সঙ্গে বৈঠকের কোনও সম্পর্কই নেই, আমি নিজেই সরে এসেছি"

বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে করেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ যার ৪৮ ঘণ্টার মধ্য়েই মত পরিবর্তন। নিজেই বেহালা-পূর্বের দায়িত্ব থেকে সরে যান রত্না চট্টোপাধ্যায় ৷ তিনি জানান, পার্থ দা দায়িত্ব দিলেও একা এত বড় এলাকা সামলাতে পারছিলেন না তিনি। নিজের ওয়ার্ডেই সময় দিতে পারছিলেন না। 

ফের মেট্রোয় মরণঝাঁপ, চরম ভোগান্তির শিকার যাত্রীরা

যদিও রাজ্য় রাজনৈতিক মহল বলছে, তৃণমূলে ফিরতে চলেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তাই বেহালা পূর্বের দায়িত্ব থেকে রত্নাকে সরিয়ে শোভন ঘনিষ্ট সুশান্ত ঘোষকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে সেকথা স্বীকার করছেন  না রত্না। নিজেই দায়িত্ব ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। রত্নার মতে, তৃণমূলে ফিরলেও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের জায়গা দিদির কাছে আগের মতো হবে না৷ পুরভোটে তাঁকে মেয়র প্রোজেক্ট করে এগোবে না দল। কারণ গত তিন  বছর ধরে  বাংলার মানুষ যেভাবে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে দেখেছে, তৃণমূলে যদি সে ফিরে আসে, তাহলে কি তার ইমেজ রাতারাতি বদলে যাবে? 

করোনার কোপে এবার বন্ধ জাদুঘর- সায়েন্স সিটি, রাজ্য় জুড়ে সতর্কতা তুঙ্গে.

রত্না যে ভুল বলছেন না তা অনেকাংশেই ঠিক। রাজ্য় রাজনীতির সাম্প্রতিক ইতিহাস বলছে, নিজের ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডেই মানুষের মধ্য়েই শোভনকে নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে। বহুদিন ধরেই নিজের ওয়ার্ডে আসেননি তিনি। খোদ মেয়র-ডেপুটি মেয়র এলাকা পরিদর্শনে এলেও রত্নাকে তাঁদের সঙ্গে দেখা যায়। কিন্তু সাধারণ মানুষ চাইলেও পাওয়া যায়নি শোভনকে। উল্টে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় প্রাক্তন মেয়রের প্রতি ক্ষুব্ধ দলের অনেকেই। দলে ফিরলেও বিজেপি কাঁটা যে শোভনকে খোঁচা দেবে তা নিও জানেন তিনি।