গত শুক্রবার থেকেই ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের জন্য় সাধারণ মানুষের চলাফেরায় অনেকটাই বাধা হয়ে দাড়িয়েছে। শনিবার রাতভোর চলে মুষলধারার বৃ্ষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। আর বিভিন্ন জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ে। ঝড়ের তীব্রতা টের পেতেই বাতিল করা হয়েছে একাধিক লোকাল ট্রেন। সেই সঙ্গে দূরপাল্লা শাখার মোট ১৬৬ টি এক্সপ্রেস ট্রেন ও বাতিল করা হয়েছে।

আরও পড়ুন, বুলবুলের তাণ্ডব মাপতে আকাশপথে সমীক্ষা, ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

শিয়ালদা দক্ষিণ শাখাতে বাতিল করা হয়েছে একাধিক ট্রেন। রাত নটার পর থেকে বন্ধ ছিল শিয়ালদা-লক্ষ্মীকান্তপুর এবং শিয়ালদা-নামখানা লোকাল ট্রেন। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের গতিবেগ বাড়ার জন্য়ই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। সন্ধে সাতটা থেকেই লক্ষ্মীকান্তপুর-নামখানার শাখার মাঝে ট্রেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাসুলডাঙা-ডায়মন্ডহারবারের মাঝে ওভারহেডের তারে গাছ পড়ে যাওয়ার জন্য় বারুইপুর ও ডায়মন্ডহারবারের মাঝে ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। রাত নটার পর থেকে বারুইপুর পর্যন্ত ট্রেন চলবে, লক্ষ্মীকান্তপুর পর্যন্ত কোনও ট্রেন যাবে না। যাবে । এদিকে শনিবার ও রবিবার হাওড়া থেকে পাঁশকুড়া-দীঘা, হাওড়া-পাঁশকুড়া-দীঘা লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন, বুলবুলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি পূর্ব মেদিনীপুরে, নবান্নের কন্ট্রোল রুমে মমতা

শনিবার সকালে হাড়োয়ার নিকটবর্তী লেবুতলা হল্টের কাছে লাইনের উপর ঝাড় থেকে বাঁশ হেলে পড়লে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।  নিরাপত্তার কারনেই একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেল। তবে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য় রাজ্য় প্রশাসন আগেই অনেকগুলি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা এবং তারই সঙ্গে সিইএসসি তরফে সুরক্ষার জন্য় কিছু এলাকায় বৈদ্যুতিক সরবরাহ বন্ধ রাখা। তারই সঙ্গে বন্ধ ছিল আকাশপথ।