পাঁচে থেমে থাকল না মৃতের সংখ্য়া। রাজ্য়ে করোনায় মৃতের সংখ্য়া বেড়ে দাঁড়াল ৭। স্বাস্থ্য় দফতরের করোনা বুলেটিনে জানিয়ে দেওয়া হল,  গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্য়ে আরও দুই রোগীর করোনায় মৃত্যু হয়েছে। তবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া ৯৫। 

মুর্শিদাবাদের মসজিদে মানা হয়নি লকডাউন, রাজ্য়কে ফের কড়া চিঠি কেন্দ্রের

বুলেটিনে বলা হয়েছে, রাজ্যে হোম কোয়ারেন্টাইনের সংখ্য়া ৪০,৫৭৬ জন৷ এছড়াও আইসোলেশনে রয়েছেন ২০৮৫ জন৷ হাসপাতালের আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১৭৫৬ জন৷ রাজ্য়ে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ২,৫২৩ জনের৷ শনিবরা জানানো  হয়েছিল রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬ জন৷ যার জেরে মোট সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছিল ৯৫৷ এদের মধ্যে করোনা-মুক্ত হয়ে চারজন বাড়ি গিয়েছে৷ যে চারজনকে ছাড়া হয়েছে,তাদের মধ্যে তিনজনই উত্তরবঙ্গের৷ বাকি একজন ছাড়া পাচ্ছেন কলকাতার ফর্টিস হাসপাতাল থেকে৷

অন্যদিকে জানা গিয়েছে,রাজ্য়ে ফের করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দুই  চিকিৎসক। হাসপাতাল সূত্রে খবর, এদের মধ্য়ে একজন হাওড়া জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক। অন্যজন দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালের ডাক্তার। কাকতালীয়ভাবে ইনিও জরুরি বিভাগের দায়িত্বেই হাসপাতালে কর্তব্য়রত।

করোনায় রাজ্য়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭, জানাল খোদ স্বাস্থ্য় দফতর.

হাসপাতাল সূত্রে খবর, হাওড়া জেলা হাসপতালের চিকিৎসককে ভর্তি করা হয়েছে এম আর বাঙুর হাসপাতালে। অন্য়দিকে, দক্ষিণ কলকাতার চিকিৎসককে নিয়ে  যাওয়া হয়েছে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। কদিন আগেই করোনায় আক্রান্ত  হয়েছেন হাওড়া জেলা হাসপাতালেরই সুপার। অনুমান, সুপারের সঙ্গে করোনা নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছেন ওই চিকিৎসক। সেকারণে সুপারের থেকেই করোনা পজিটিভ ওনার দেহে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারে।

এখানেই শেষ নয়। জানা গিয়েছে,  সম্প্রতি কোভিড১৯ পাওয়া গিয়েছে হাওড়া জেলা হাসপাতালের এক সাফাইকর্মীর দেহেও। বর্তমানে ওই সুপার ও সাফাইকর্মী দুজনেই হাসপতালে ভর্তি ছিলেন। আক্রান্তদের মধ্য়ে সুপার ভর্তি এমআর বাঙুর হাসপাতালে। সাফাইকর্মী ভর্তি ছিলেন হাওড়ার আইএলএস হাসপাতালে। এদিন বিকেলেই যার মৃত্যু হয়েছে। 

মাস্ক নেই, রাস্তায় কী পরলে ধরবে না পুলিশ

অপরদিকে দক্ষিণ কলকাতার ওই জরুরি বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার গত ১০ তারিখ থেকেই শারীরিক  অসুস্থ বোধ করেন। জানা গিয়েছে, হাসপাতালে কর্তব্য়ের সময় তাঁক কাছে করোনার উপসর্গ নিয়ে এক ব্যক্তি আসেন। করোনার উপসর্গ থাকায় ওই ব্য়ক্তিকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক। তারপর থেকেই তাঁর শরীরে সর্দি, জ্বরের প্রকোপ  শুরু হয়।