শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে। কিন্তু দেহ আনা তো দূর, করোনা আতঙ্কে স্বামীর মৃত্যুর খবরও স্বীকার করতে চাইছেন না স্ত্রী! ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ কলকাতার বেহালায়।

আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত এবার বউবাজার থানার এক শীর্ষ আধিকারিক, পরিষেবা নিয়ে চিন্তায় প্রশাসন

মৃতের নাম তাপস শেঠ। বাড়ি, বেহালার সরশুনায়। এলআইসি-এর এজেন্ট ছিলেন তিনি। সরকারহাট লেনে একতলা বাড়িতে স্বামী-স্ত্রীর সংসার। ওই দম্পতির কোনও সন্তান নেই। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পাড়ায় কারও সঙ্গে মেলামেশা করতেন না তাপস। কিছুটা অপ্রকৃতিস্থ ছিলেন তিনি। মিশুকে নন তাঁর স্ত্রীও। নিজেদের মতো থাকতেন ওই দম্পতি। প্রতিবেশীদের দাবি, গত কয়েকদিন ধরে এলাকায় দেখা যাচ্ছিল না তাপসকে। বুধবার সকালে আবার তাঁর স্ত্রীকে গ্লাভস ও মাস্ক পরে রাস্তা দিয়ে যেতে দেখেন অনেকেই। কী ব্যাপার? বেলা বাড়তেই তাপস শেঠের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। 

আরও পড়ুন: রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১৪৫৬ , মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭২

আরও পড়ুন: লকডাউন ভাঙার শাস্তি, রাজ্য়ের ৪০০০০ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ

ঘটনাটি কি সত্যি? বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেন প্রতিবেশীরা। ওই মহিলা জানান, তাঁর স্বামী শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে এম আর বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। কিন্তু হাসপাতালের কোনও কাগজ বা নথি তিনি দেখাতে পারেননি বলে অভিযোগ। প্রতিবেশীদের দাবি, হাসপাতালে ফোন করে তাঁরা জানতে পেরেছেন, রবিবার মারা গিয়েছেন তাপস। কিন্তু দেহ নিয়ে যাননি পরিবারের লোকেরা। নেপথ্যে কি করোনা আতঙ্ক? তেমনটাই অনুমান প্রতিবেশীদের। এমনকী, ওই ব্যক্তির সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তাঁরা।