শরীর তৈরি করার জন্য বা স্বাস্থ্যের প্রতি নজর রেখেই জিমের পথে পা বাড়ান সকলেই। নিজের সুবিধে মতন দিনের যেকোনো সময় জিম করা যেতেই পারে। কিন্তু জিম করতে গেলে শরীর থেকে অতিরিক্ত ক্যালরি ক্ষয় হয়। ফলেই তা শরীরের জন্য খারাপ। সেই পরিমাণ ঘাটতিকে পুরণ করার জন্যই জিমের পর বিশেষ কয়েকটি পদ খাদ্য তালিকায় রাখা এখান্ত প্রয়োজনীয়। বাইরে থেকে ওষুধ নিয়েই অনেকে শরীর ফিট রাখার চেষ্টা করেন, কিন্তু এই স্টেরয়েড শরীরকে অনেক অংশে ভাঙন ধরাতে সাহায্য করে থাকে। যা পরবর্তিতে প্রকাশ্যে আসে। তাই ওষুধের ওপর ভরসা না রেখে খাদ্য তালিকায় বদল ঘটানো একান্ত প্রয়োজন। জেনে নিন কোন কোন খাবার জিমের পর খাদ্য তালিকায় রাখবেন।

ডিমের পোচঃ ডিমের পোচে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। আর এই পদটি অনেকেরই খুব প্রিয়, সহজেই বানিয়ে ফেলা যায়।
দুধ-কনফ্লেক্সঃ প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট থাকে প্রচুর পরিমাণে দুধ-কনফ্লেক্সে। পেশিতে শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এই খাদ্য। 
লাল আলুঃ লাল আলু বাজারে পাওয়া গেলে অতি অবশ্যই তা সংগ্রহ করে রাখুন। কারণ এতে ভিটামিন সি, গ্লুকোজের স্তর বাড়াতে সাহায্য করে। শরকরা, ফাইবারের মাত্রাও বেশি থাকে লাল আলুতে।
ভাতঃ অল্প পরিমাণে সাদা ভাত খাওয়া যেতে পারে। জিমের সময় শরীরে সুগারের মাত্রা কমে যায়, তাই ভাত সুগার বাড়াতে সাহায্য করে, যা একান্ত প্রয়োজনীয়।
ড্রাই ফ্রুটসঃ প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, কার্বহাইড্রেট, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম প্রভৃতি। এনার্জি বাড়াতে মক্ষম ভুমিকা পালন করে ড্রাই ফ্রুটস।
বাদাম জাতীয় খাবারঃ বাদাম শরীর চর্চার এক অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য। প্রচুর ভিটামিন থাকে।
মুরগির স্ট্রুঃ প্রোটিন, ওমেগা-৩ ও এমাইনো অ্যাসিড পাওয়া যায় চিকেন থেকে। প্রোটিনের ঘাটতি অনেকটা কমিয়ে দেয় এই পদ।
ফলঃ ফলে পুষ্টির পরিমাণ কতটা বাড়ে সেই নিয়ে দ্বিমত নেই কোথাও। তাই অতিঅবশ্যই দুটি করে ফল খান জিমের পর।