করোনা আতঙ্কে ব্রয়লার, ডিম থেকে শুরু করে মন্দার দিকে খাসিও। এই ফাঁকে রমরমিয়ে দাম বেড়েছে মাছ ও এঁচোড়ের। তবে বাঙালির পাতে তো মাছ ভাত ছাড়া চলে না। প্রতিদিনের পাতে এক টুকরো মাছতো চাই। আপনি কি নিশ্চিত করে বলতে পারেন আপনি যে মাছ খাচ্ছেন তা একেবারে ভাইরাস মুক্ত। এই সময়ে সবচেয়ে বেশি লাভের মুখ দেখছেন মাস্ক ও মাছ ব্যবসায়ীরা। কারণ করোনা আতঙ্কে মানুষ খাবে কী। এই সুযোগে বেশ কিছু সুযোগ সন্ধানী ব্যবসায়ী প্রিসার্ভ করা মাছ বিক্রি করে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন- মাত্র ৫০ পয়সাতেই তৈরি করে নিতে পারবেন ঘরোয়া মাস্ক, দেখুন ভিডিও

করোনা ছাড়াও বছরের এই সময়টা আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য প্রায় প্রত্যেকেরই অসুস্থ হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। আর বর্তমানে কর্মব্যস্ত জীবনে আমাদের প্রায় বেশিরভাগরাই সারা সপ্তাহের মাছটা একবারে কিনে রাখার চেষ্টা করি। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগান বিক্রেতারা। তাই সুস্থ থাকতে মাছ কেনার আগে অবশ্যই মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি। আর এই মরসুমে শরীর সুস্থ রাখতে সব সময় স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। আর টাটকা মাছ শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী তা সকলেরই জানা। তাই মাছ কেনার আগে অবশ্যই মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি।

আরও পড়ুন- এই খাবারগুলি থেকে বাড়তে পারে কিডনিতে স্টোনের সমস্যা, জেনে রাখুন সেই তালিকা

১) টাটকা মাছ শক্তও হবে না আবার নরমও হবে না। মাছ শক্ত হলে বুঝতে হবে তা স্টোর করা ছিল বহুদিন ঘরে। আর নরম হলে বুঝতে হবে মাছটা একদমই টাটকা নয়। তাই বুঝে মাছ কিনুন।

২) বাজারে অনেককেই দেখবেন কানকো দেখে মাছ তবে মাছ কেনেন। তবে এই কৌশল যদি আপনি প্রয়োগ করেন তবে ডাহা ফেল করবেন। কারণ মাছের কানকোতে এখন রঙ দিয়ে রাখেন বিক্রেতারা যা দেখে বোঝবার জো নেই কারওর যে মাছটা একেবারেই নষ্ট। টাটকা মাছের কানকোতে স্লাইম বা পিচ্ছিল ভাব থাকে সেটা অবশ্যই দেখে নেবেন।

৩) চিংড়ি মাছ কেনার ক্ষেত্রে যদি চিংড়ির খোসা শক্ত ও ক্রিসপি থাকে তবে বুঝবেন মাছটি তাজা। যদি খোসা নরম হয় তাহলে বুঝবেন মাছটি টাটকা নয়।

৪) টাটকা বা তাজা মাছ চকচকে থাকবে। মাছে ফরমালিন দেওয়া থাকলেও মাছ যত বাসি হতে থাকে তত তার চকচকে ভাব হারিয়ে যেতে থাকে। তাই সব সময় ঝকঝকে মাছ কিনুন।

৫) জিওল মাছ বা জ্যান্ত মাছ কেনার সময় সব সময় নজর রাখবেন নড়াচড়া করছে এমন মাছই কিনুন কখনোই সাজিয়ে রাখা  টাটকা বলা মাছ কিনতে যাবেন না।