ইতিমধ্যেই করোনা আতঙ্কে জেরবার বিশ্ববাসী । মাস্ক যেন সকলের মুখে। রাস্তা তো দূর ঘরের ব্যালকনিতে দাঁড়ালেও যেন মাস্কেই ভরসা। তবে শুধু এই মাস্ক নয়। মাস্কের পাশাপাশি হ্যান্ড স্যানিটাইজারেরও সমান জনপ্রিয়তা। করোনা হানা থেকে নিজেকে প্রতিরোধ করতে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া মাস্ট।  আর এই জনপ্রিয়তার কারণেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে স্যানিটাইজার। অতিরিক্ত বিক্রির ফলে মিলছে না স্যানিটাইজার। কয়েকদিনের মধ্যে  এই স্যানিটাইজার  বিক্রি যেন দ্বিগুণ বেড়েছে।  বিক্রি  যেমন বেড়েছ তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দামও।  

আরও পড়ুন-বাজারে দেদার বিকোচ্ছে চিনা মাস্ক, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তার দামও...

প্রতিটি দোকানেই আগে গড়ে ৫-১০ টা স্যানিটাইজার বিক্রি হতো। যার সংখ্যা রীতিমতো ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। যা সাপ্লাই দিতে গিয়েই হিমশিম অবস্থা দোকানিদের। ছোট, বড়, মাঝারি সব সাইজের স্যানিটাইজারেরই বিক্রি বেড়েছে। তবে শুধু বিক্রি নয়, দামও বেড়েছে। বাজার চলতি পকেট স্যানিটাইজারও দেদার বিকোচ্ছে মার্কেটে। বাড়ির বড়রাও পকেট স্যানিটাইজার কিনে দিচ্ছে ছোটদের। তার নিজেদের স্কুল ব্যাগেও রাখছে এই স্যানিটাইজার। দেশের প্রতিটি প্রান্তেই এই ছবিই যেন ফুঁটে উঠেছে।

আরও পড়ুন-করোনা ভাইরাস ঠেকাতে রইল ৯টি বিশেষ উন্নতমানের মাস্কের হদিশ...

ছোট থেকে বড় সকলেই এই মারণ রোগের হাত থেকে বাঁচতে যতটা সম্ভব মানুষ নিজেকে সরিয়ে রাখছে। আর তার জন্য যা যা করণীয় তার সবটাই করছে প্রত্যেকে।  ব্রিটেনেও স্যানিটাইজারের বিক্রি একলাফে ২৬০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে।  মার্কিন মুলুকে ও ৭৩ শতাংশ বেড়েছে এই স্যানিটাইজার বিক্রি।  আর ব্যতিক্রম নয় ভারতে। যার ফলে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে । দুম করে স্যানিটাইজারের চাহিদা বাড়ায় মূল্যবৃদ্ধিও বেড়েছে। প্রতিটি ছোট কিংবা বড় দোকানেই এই স্যানিটাইজার পাওয়া যাচ্ছে। আগের মাসেই এই স্যানিটাইজার বিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছিল। হ্যাান্ড স্যানিটাইজার কিনতে গিয়ে অনেক দোকানের সামনে লম্বা লাইনও পড়ে যাচ্ছে। এমনকী ই-কর্মাস সাইড গুলোতেও আউট অফ স্টক দেখাচ্ছে এই স্যানিটাইজার। মুহূর্তের মধ্যেই স্টক শেষ হয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন-করোনা আতঙ্কে জেরবার বিশ্ববাসী, জেনে নিন মাস্ক ব্যবহারের ডু'স অ্যান্ড ডোন্টস...

করোনা ভাইরাস। নামটা শুনলেই প্রত্যেকেই যেন আতঙ্কিত। করোনা আতঙ্কে ইতিমধ্যেই ভয়ে কাঁপছে চিন।  শুধু চিন নয়, চিনের পাশাপাশি একের পর এক শহরে মুহূর্তের মধ্যে প্রবেশ করছে এই ভাইরাস।  একজনের থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস।  মানুষের নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের সঙ্গেই ছড়িয়ে যাচ্ছে এই রোগের জীবানু। কোনওভাবেই আটকানো যাচ্ছে না এই ভাইরাসকে। নোবেলা করোনা প্রকৃতির এই করোনা ভাইরাস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি আসলে ফ্ল্যাবিও ভাইরাস, যা খুব দ্রুত ছড়িয়ে যাচ্ছে।  হু হু করে বাড়ছে মৃত্যু সংখ্যা। সারা বিশ্বে জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। এই মুহূর্তে দিল্লি, নয়ডা, তেলেঙ্গানায় আতঙ্ক আরও বাড়ছে।