গরমের দিনে অনেকেরই শরীরে কম বেশি ঘামের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই স্বল্প মাত্রায় ঘাম হলে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর কোনও কারণ নেই। এবার সেই দিকে নজর দিয়েই নিজের শরীর অনুযায়ী সকলেই বুঝতে পারেন ঘামের স্বাভাবিক মাত্রা কতটা। তা থেকে কিছু অংশ কম বেশি হতেই পারে পরিশ্রমের ওপর ভিত্তি করে। তবে তা যদি স্বাভাবিকের থেকে বেশ কিছুটা বেশি হতে থাকে প্রতিনিয়ত তবে সেই দিকে নজর দেওয়া একান্ত প্রয়োজন, মাথায় রাখুন শরীরে আপনার অজান্তে কোনও অসুখ দানা বাঁধছে না তো। 

জানুন কী কী কারণে শরীরে ঘামের মাত্রা বাড়তে পারেঃ
১. রক্তের শর্করার পরিমাণ যদি ওঠা-নামা করে তবে তা থেকে ঘাম হতে পারে। ডায়াবেটিস রোগের ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা দেয়।
২. হার্টের পক্ষে যদি খুব চাপ জণিত কাজ করা হয় তবে তা দ্রুত গতিতে পাম্প করে, তবে শরীরে ঘামের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এই সময় ফেলে না রেখে অসুস্থ বোধ করলেই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৩. অনেক সময় দেখা যায় খুব উত্তেজনা বা দুশ্চিন্তা থেকেও শরীরে ঘামের মাত্রা বেড়ে যায়। এর থেকে ব্লাড প্রেসার বাড়তে পারে। বা উচ্চা রক্তচাপ থাকলে শরীরে বেশি মাত্রায় ঘাম হয়।
৪. হরমোনের ভারসাম্য যদি শরীরে নষ্ট হয়, তবে তা থেকেও ঘামের পরিমাণ শরীরে বাড়তে পারে। তাই শরীর সুস্থ রাখতে ঘাম বাড়লেই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
৫. শরীরে যদি ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে যায় তবে তা থেকেও ঘামের সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই ফেলে না রেখে তা পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া প্রয়োজন।