কোরিয়ান '৪-২-৪ স্কিন কেয়ার রুল' হল দশ মিনিটের একটি ফেসিয়াল ক্লিনজিং পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে ৪ মিনিট অয়েল ম্যাসাজ, ২ মিনিট ফোম ক্লিনজিং এবং ৪ মিনিট জল দিয়ে মুখ ধুতে হয়, যা তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী হলেও সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে সতর্কতার প্রয়োজন।

সৌন্দর্যচর্চার ক্ষেত্রে কোরিয়ানরা সবসময় এক ধাপ এগিয়ে থাকে। তাদের 'গ্লাস স্কিন'-এর রহস্য খুঁজতে থাকা মানুষদের মধ্যে এখন নতুন ট্রেন্ড হলো '৪-২-৪ স্কিন কেয়ার রুল'। কোরিয়ান অভিনেত্রী বে সুজি তার ত্বকের উজ্জ্বলতার পেছনের রহস্য হিসেবে এই পদ্ধতিটি প্রকাশ করার পরেই এটি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পায়।

কী এই ৪-২-৪ স্কিন কেয়ার রুল?

এটি দশ মিনিটের একটি ফেসিয়াল ক্লিনজিং পদ্ধতি। একে প্রধানত তিনটি ধাপে ভাগ করা যায়:

৪ মিনিট অয়েল ম্যাসাজ:

প্রথমে একটি ক্লিনজিং অয়েল বা ফেসিয়াল অয়েল দিয়ে চার মিনিট ধরে মুখ ম্যাসাজ করুন। এটি ত্বক থেকে ময়লা, মেকআপ এবং সানস্ক্রিন তুলে আনতে সাহায্য করে।

২ মিনিট ফোম ক্লিনজিং:

অয়েল ম্যাসাজের পর যেকোনো হালকা ফেসওয়াশ বা ফোমিং ক্লিনজার দিয়ে দুই মিনিট মুখ ধুয়ে নিন। এটি অয়েল ম্যাসাজের ফলে আলগা হয়ে যাওয়া ময়লা পুরোপুরি পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

৪ মিনিট জল দিয়ে ধোয়া:

শেষ চার মিনিট শুধু জল দিয়ে মুখ ধুতে হবে। এর মধ্যে প্রথম দুই মিনিট হালকা গরম জল এবং বাকি দুই মিনিট ঠান্ডা জল ব্যবহার করতে হবে। এটি ত্বকের ছিদ্র বন্ধ করতে এবং ত্বককে সতেজ করতে সাহায্য করে।

এটি কি সত্যিই উপকারী?

এই দশ মিনিটে ত্বক গভীরভাবে পরিষ্কার হয়, এটা সত্যি। তবে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে:

প্রতিদিন দশ মিনিট ধরে এভাবে মুখ ধুলে ত্বকের স্বাভাবিক তেলের পরিমাণ কমে যেতে পারে। এর ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এই পদ্ধতিটি খুব ভালো। কিন্তু যাদের ত্বক সংবেদনশীল, তাদের জন্য একটানা এতক্ষণ ঘষা অস্বস্তির কারণ হতে পারে।

মনে রাখবেন: এই পদ্ধতিটি অনুসরণ করার সময় ত্বকে বেশি চাপ না দিয়ে আলতোভাবে ম্যাসাজ করতে হবে।

একবারে পরিবর্তন আশা না করে, সপ্তাহে এক বা দুইবার এই পদ্ধতিটি চেষ্টা করলে ত্বক নতুন জীবন পাবে। ত্বক পরিষ্কার করার পাশাপাশি, নিজের জন্য দশ মিনিট সময় বের করার একটি মানসিক তৃপ্তিও এই প্রক্রিয়াটি দেয়।