মশা নিয়ে নতুন একটি গবেষণার রিপোর্ট পেশ করলেন ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এই গবেষণায় স্ত্রী মশাদের পরীক্ষা করে দেখেন গবেষকরা  গবেষণায়ে দেখা হয়, কীভাবে এই মশারা নিজেদের খাবার খোঁজে ও সনাক্ত করে

মশা নিয়ে নতুন একটি গবেষণার রিপোর্ট পেশ করলেন ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। এই গবেষণায় স্ত্রী মশাদের পরীক্ষা করে দেখেন গবেষকরা। গবেষণায়ে দেখা হয়, কীভাবে এই মশারা নিজেদের খাবার খোঁজে ও সনাক্ত করে। এই গবেষণার মাধ্য়মেই জানা যায়, গন্ধের মাধ্যমে ও দেখেই নিজের শিকারকে বেছে নেয় একটি মশা। বলা ভাল, প্রথমে গন্ধের মাধ্য়মে নিজের শিকারের অবস্থানকে খুঁজে বের করে একটি মশা। তার পরেই মশাটি দৃষ্টিশক্তির মাধ্যমে তার শিকারের উপেরে গিয়ে বসে রক্তপান করে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

গবেষক জাফরে রাইফেল এই প্রসঙ্গে বলছেন, আমাদের নিঃশ্বাসে কার্বনডাই অক্সাইড ভর্তি থাকে। এই কার্বনডাই অক্সাইডকে ঘ্রাণশক্তির মাধ্যমে প্রায় ১০০ ফুট দূর থেকে সনাক্ত করতে পারে মশারা। 

আরও পড়ুনঃ ডেঙ্গু সংক্রামিত হলে ছ'মাস পর্যন্ত রক্তদান করবেন না, পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

গবেষকরা জানাচ্ছেন, এক মাত্র স্ত্রী মশারাই রক্তপান করে। অর্থাৎ বলা যায়, কামড়ে শুধু ম্য়ালেরিয়া, ডেঙ্গুর মতো রোগ ছড়িয়ে দেয় স্ত্রী মশারাই। এই পরীক্ষায় খতিয়ে দেখা হয় কার্বনডাই অক্সাইডের গন্ধ পেয়ে মশার মস্তিষ্কে তা কেমন প্রভাব ফেলে। স্ত্রী মশাদের ঘ্রাণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি তার পরে কী ভাবে কাজ করে সেটিও গবেষকরা দেখেন।

আরও পড়ুনঃ বাড়ছে মশার উপদ্রব! ৬টি ঘরোয়া উপায় মশা কমিয়ে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া থেকে নিরাপদে থাকুন

২৫০টি মশাকে পরীক্ষা করে দেখেন গবেষকরা। ৭ ইঞ্চির ডায়ামিটারের মধ্য়ে এই মশাদের পরীক্ষা করে দেখা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়, নিঃশ্বাসে যত বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড থাকে, তত বেশি মশারা ডানা ঝাপটে সেই গন্ধের উৎসে পৌঁছনোর চেষ্টা করে। প্রথমে ঘ্রাণশক্তি কাজে লাগিয়েই দৃষ্টিশক্তির মাধ্য়মে নিজের খাদ্যের কাছে এই মশারা পৌঁছয়। ১০০ ফুট দূরের খাদ্যের গন্ধ পেলেও ১০০ ফুট দূর থেকে দেখতে পায় না মশারা। ১৫ থেকে ২০ ফুট দূরত্বে খাবার থাকলে তা দেখতে পায় এই মশারা।