পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে, স্বাস্থ্যকর, সুস্বাদু মুখরোচক কিছু খেতে পারলে বিকেলটা জমে যায়। এমনই কিছু স্ট্রিটফুডের খোঁজ মিলবে এই প্রতিবেদনে, খেয়ে দেখতেই পারেন এইসব ছটপটা স্ট্রিটফুডগুলো।

অফিসে বসে কাজের মাঝে বিকেল হলেই মন চায় কিছু ছটপটা খেতে, আবার ঘুরতে বেরোতে না বেরোতেই খাই খাই মন। অথচ রোজ রোজ চাউমিন, ফুচকা, মোমো, চপ, খাওয়া সম্ভব নয়, স্বাস্থ্য একেবারে গোল্লায় যাবে। কিন্তু এইসব রাস্তার খাবারে নাম শুনলেই পেতে খিদে আর মুখে জল চলে আসে। তবে উপায়?

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

স্ট্রিটফুড অস্বাস্থ্যকর হলেও রাস্তার গলিতে গলিতে এমন অনেক খাবার দোকান আছে, যেখানে যথেষ্ট পরিষ্কার পরিচ্ছন্নভাবে 'অস্বাস্থ্যকর নয়' এমন খাবারও পাওয়া যায়। আজ এমনই কিছু স্ট্রিটফুডের খোঁজ আপনাকে দেব, যেগুলো আপনি রাস্তায় বেরিয়ে খেতে পারবেন, যা স্বাদে অসাধারণ এবং পুষ্টিগুণও আছে।

১। ঝাল মুড়ি

ঝালমুড়ি বাঙালির সিগনেচার মুখরোচক খাবার। স্কুল-কলেজ থেকে অফিস সবাই একবার হলেও ঝাল মুড়ির পিকনিক করেছেন। মুড়ির সঙ্গে পেঁয়াজ, শশা, টমেটো, আলু, কাঁচা লঙ্কা, ধনেপাতা ও সামান্য সরষের তেল বা তেঁতুল ও লেবুর রস মিশিয়ে তৈরি এই খাবারটি ফাইবার ও ভিটামিনে ভরপুর। হালকা গোছের, বদহজম বা অম্বলের সমস্যা হবে না, খেতেও দারুণ।

২। দই বড়া

বিউলির ডাল দিয়ে তৈরি নরম বড়া ও ঠান্ডা দই সাথে টক-মিষ্টি চাটনি-এই কম্বিনেশন শুধু স্বাদের জন্য নয়, শরীরের জন্যও উপকারী। ডাল প্রোটিন সমৃদ্ধ, আর দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক হজমে সাহায্য করে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। গরমের বিকেলে মুখ ও মন দুই রিফ্রেশ হবে।

৩। ঘুগনি

মটর ডাল দিয়ে তৈরি ঘুগনি রাস্তার খাবার হলেও প্রোটিন সমৃদ্ধ। এতে দেওয়া হয় আদা, পেঁয়াজ, টমেটো ও হালকা মশলা দিয়ে বানানো, ওপর থেকে টক আর ধনেপাতা একদিকে পেট ভরাবে, আবার অস্বাস্থ্যকর ভেবে দ্বিধাও করতে হবে না।

৪। বাদাম মাখা

বাদাম মানেই প্রোটিন ও হেলদি ফ্যাট-এর উৎস। আপনি ভাজা বাদাম, পেঁয়াজ, ধনেপাতা, লেবুর রস ও কাঁচা লঙ্কা দিয়ে মেখে খেতে পারেন, চমৎকার স্বাস্থ্যকর সন্ধ্যার মুখরোচক হবে।

৫। ফ্রুট চাট

রাস্তার কাটা ফল খেতে নেই ঠিকই, তবে আপনার সামনে তাজা ফল কেটে ধুয়ে বানিয়ে দিলে অসুবিধে কোথায়? স্ট্রিট ফুডের মধ্যে স্বাস্থ্যকর ও রিফ্রেশিং একটা অপশন হতে পারে ফ্রুট চাট। আপেল, পেঁপে, কলা, তরমুজ ইত্যাদি ফল টুকরো করে লবণ, চাট মসলা ও লেবুর রস দিয়ে তৈরি এই আইটেমটি হজমে সহায়ক ও পুষ্টিকর।