দুধ হল এক কথায় সর্বগুণ সম্পন্ন পানীয়। যা খাবারের তালিকায় রাখলে মিলবে সর্বাধিক পুষ্ঠি। অধিকাংশ শিশুই দুধ পচ্ছন্দ করে না ঠিকই, কিন্তু শরীরে গাঠনিক দিক থেকে এই পানীয়র ভুমিকা বিশাল। কারণ এই পানীয়তেই রয়েছে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, প্রোটিন, ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন ডি প্রভৃতি উপাদান। ঠিক কী কী বিষয় দুধের গুণ অনস্বীকার্য দেখে নেওয়া যাকঃ

  • শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্ঠিঃ প্রতিটি মানুষেরই দিনে একটি নির্দিষ্ট পরিপান পুষ্টির প্রয়োজন। সেই বিষয় খেয়াল না রেখেই কেবল মাত্র খিদে মেটানোর তাগিয়ে আমরা খাবার খেয়ে থাকি। কিন্তু দিনের শুরুতে বা যেকোন সময় যদি এক গ্লাস দুধ খাওয়া যায় হতে সেক্ষেত্রে শরীরের চাহিদা অনুসারে সকল উপাদান আমাদের শরীরে পৌঁচ্ছায়।
  • দাঁত ও হাড়ের গঠনঃ দুধে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেশি থাকায় শিশুদের দুধ খাওয়ালে ছোট থেকেই শরীরের হাড়ের গঠন ভালো হয়। সঙ্গে তা মজবুতও হয়ে ওঠে। শুধু তাই নয় দাঁতের ক্ষয়ের সম্ভাবনাও অনেক অংশে কমে যায়।
  • কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ শরীরের কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, বা এনার্জি বৃদ্ধিতে দুধের ভুমিকা অনস্বীকার্য। প্রত্যহ দুধ খেলে শরীরের শক্তি বাড়ে এবং দুর্বলতা অনেক অংশে কেটে যায়।
  • মানসিক চাপ হ্রাসঃ সারাদিন নানান পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে কাটে সকলের সময়। ফলেই মানসিক চাপের ফলে শরীরে ক্লান্তি বোধ হয়, দুধ মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এবং রাতে সহজেই ঘুম চলে আসে।
  • হাইড্রেশনে সাহায্য করাঃ গরমের ফলে অনেকেই ডি হাইড্রেশনে ভোগেন। শুধুই বেশি করে জল খেলে নয়, সঙ্গে এক গ্লাস দুধ খেলেএ শরীর হাইড্রেট হয়ে যায়।
  • ভিটামিন ডি বৃদ্ধিঃ অনেকেই হাত পায়ের যন্ত্রণায় কষ্ঠ পান, জানেন কি এর কারণ ভিটামিন ডি-এর অভাব হতে পারে। সূর্যের আলোতে কিছুক্ষণ থাকলে তো ভালোই, কিন্তু দিনে এক গ্লাস দুধ খেলেও এ অভাব সম্পূর্ণ হওয়া সম্ভব।
  • মাংস পেশির গঠনঃ শরীরে মাংসপেশির গঠন ভালো হয়, যদি শিশুদের প্রত্যহ দুধ খাওয়ানো যায়। এতে প্রচুর পরিমান ভিটামিন থাকায় মাংশপেশি মজবুত করতে সহায়তা করে।