Health News: অনেক সময় ওজন কমানোর দরকার হলে ডায়েটিশিয়ানরাও ঘি খাওয়া বন্ধ করতে বলেন। ডাক্তাররাও বলেন, ফিট থাকতে গেলে ঘি বন্ধ করা উচিত। কিন্তু ঘি আদতে ওজন কমাতে সাহায্য করে। বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…
Health News: পরিমিত পরিমাণে খাঁটি ঘি খেলে ওজন বাড়ে না, বরং এতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট (CLA), ওমেগা-৩, ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন এ, ডি, ই, কে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে, বিপাক হার (metabolism) বাড়াতে এবং মেদ ঝরাতে সহায়তা করে। এটি হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, ত্বক ও চুল উজ্জ্বল রাখে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী।
ওজন না বাড়িয়ে ঘি খাওয়ার সুফল-কুফল
* বিপাক হার বৃদ্ধি ও মেদ ঝরানো: ঘি-তে লিনোলেনিক অ্যাসিড এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা শরীরের জমে থাকা চর্বি বা ফ্যাট সেলগুলোকে ভেঙে শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে সাহায্য করে।
* হজমে সহায়তা: ঘি পাচন প্রক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি করে এবং এতে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে।
* দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখা: সকালে উষ্ণ গরম জলের সঙ্গে ১ চামচ ঘি খেলে ক্ষুধা কম লাগে, ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে ।
* পুষ্টি উপাদান: ঘিয়ে ভিটামিন A, D, E এবং K থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের কর্মক্ষমতা বজায় রাখে।
* হরমোন ও ত্বক: এটি হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে এবং ত্বক ও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে।
সঠিকভাবে ঘি খাওয়ার নিয়ম:
১. পরিমিত আহার: প্রতিদিন ১ থেকে ২ চা চামচ (সর্বোচ্চ ১০-২০ গ্রাম) ঘি খাওয়া নিরাপদ ।
২. সকালের অভ্যাস: সকালে খালি পেটে এক চামচ ঘি খেয়ে তার কিছুক্ষণ পর গরম জল পান করলে খুব দ্রুত ওজন কমে।
৩. ভাত/রুটির সাথে: রাতে রুটির উপর বা দুপুরে ভাতের সাথে ঘি মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে ।
৪. রান্নায় ব্যবহার: রান্নায় সাধারণ তেল বা মাখনের বদলে খাঁটি ঘি ব্যবহার করা যেতে পারে।
সতর্কতা ও খাওয়ার নিয়ম:ঘি শরীরের জন্য উপকারী হলেও, অতিরিক্ত খেলে ক্যালোরি বেড়ে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রতিদিন ১-২ চা চামচ ঘি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, যা খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্য ভালো রাখে। অতিরিক্ত স্থূলতা বা হার্টের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই ঘি খান।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


