Women Health Tips: সারাদিন অফিস-বাড়ির কাজকর্ম করে ক্লান্ত? ভুলেছেন নিজের শরীরের যত্ন নিতে! অল্প সময়ে যেভাবে শরীরের যত্ন নেবেন। রইল টিপস। 

Health Tips: আট-টা পাঁচটার ডিউটি থেকে শুরু করে সারাদিনের সংসারের কাজকর্ম। একমুহুর্তও ফুসরত পাচ্ছেন না। নিজের দিকে তাকাতে ভুলেছেন। জানেন এতে নিজের অজান্তেই শরীরে নানারকম বিপদ ডেকে আনছেন। সারাদিনের শেষে ভরসা এবং বিশ্বাসের শেষ ঠিকানা মা হলেও এই মায়েরাই সন্তান আর পরিবারের চিন্তায় নিজেদের শরীর স্বাস্থ্যের দিকে তাকাতে ভুলে যান। কিন্তু এটা কখনই কাম্য নয়। বরং সন্তানের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি নিজের শরীর স্বাস্থ্যেরও যত্ন নেওয়া একান্ত জরুরি সব মায়েদের জন্য।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আর তারপরে কেউ যদি প্রথমবার মাতৃত্বের স্বাদ নিতে চান তাহলে গর্ভাবস্থায় শরীর স্বাস্থ্যের প্রতি আরও যত্নবান হওয়া জরুরি। কেননা একজন নারী যেমন মাতৃত্বের মাধ্যমে নিজেকে সম্পূর্ণ করে তোলেন তেমনই এই মাতৃত্বের অবস্থায় শারীরিক ও মানসিক দিক থেকেও নানা পরিবর্তন ঘটে। অনেকেই এই সময় না চাইলেও উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় ভোগেন। তবে অযথা খারাপ চিন্তা না করে সবসময় পজিটিভ থাকাটা এই সময় ভীষণ জরুরি।

এরজন্য যেমন সুস্থ সুন্দর পরিবেশ দরকার তেমনই গর্ভাবস্থায় খাদ্যাভ্যাস সহ শরীর স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়াও জরুরি। কারণ সুস্থ সুন্দর শরীর স্বাস্থ্যই সুখী জীবনের মূল চাবিকাঠি।

তাহলে আসুন জেনে নিই গর্ভাবস্থায় কী ধরনের খাবার খাওয়া জরুরি। এছাড়া এই সময়ে সুস্থ থাকতে ডায়েট চার্টে কোন খাবারগুলি রাখবেন রেগুলার।

১.যেকোনও নারীর গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্যকর খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে জল পান করা উচিত। এই সময়ে খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, ফাইবার এবং মিনারেল জাতীয় উপাদান থাকা জরুরি। এতে শরীরে পুষ্টির চাহিদা মেটে। গর্ভস্থ সন্তানের সুষম বিকাশে সাহায্য করে।

২. এই সময়ে ওটমিল, ডাল, রুটি, ব্রাউন রাইস ফাইবার ও ভিটামিন বি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে এমন খাবার গ্রহণ করা উচিত। এছাড়াও স্বল্প ফ্যাটযুক্ত খাবার, দুধ এবং দুধজাত পণ্য, সয়া, বাদাম, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার খাওয়া জরুরি।

শিম, মটর, ডিম, অল্প মাংস এবং এই সময়ে হালকা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে। তবে নিজের এবং সন্তানের ক্ষতি করে এমন ধরনের খাবার যেমন, চা কফি, মিনারেল, ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো।

৩.মহিলাদের গর্ভাবস্থাকালীন আরও যত্নবান হওয়া এবং তাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রতিদিন চেক করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে প্রোটিন যুক্ত খাবার, আয়রন এবং ক্যালসিয়াম পরিপূরক এমন খাবার গ্রহণ করা উচিত। ভিটামিন সি, ডি রয়েছে এমন খাবার খাওয়া উচিত। এছাড়াও স্বাস্থ্যকর তরল, কোমল নারকেল, ডাবের জল এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলের রস খাওয়া জরুরি।

৪. গর্ভাবস্থা চলাকালীন নিজস্ব ডাক্তারের পরামর্শ মতোন হালকা ধরনের ব্যায়াম, বা শারীরিক কসরত করা যেতে পারে। এতে নানারকম শারীরিক সমস্যা দূর হবে এবং পিঠে, কোমরে ব্যথার মতোন সমস্যার হাত থেকে রেহাই মিলবে।

৫. এই সময়ে শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা বজায় রাখুন। নিজের শরীর স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়ার পাশাপাশি সবসময় নিজেকে এবং ঘরবাড়িকে পরিস্কার পরিছন্ন রাখুন। এতে মানসিক শান্তি মিলবে। অবসাদ কাটবে। এছাড়াও এই সময়ে পর্যাপ্ত ঘুমও কিন্তু ভীষণ দরকারী।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।