ইউইএর নরউইচ মেডিকেল স্কুলের ডাঃ জুলি ব্রেইনার্ড বলেছেন,  গবেষণার আগেই যৌন সংক্রমিত রোগ সম্পর্কে অনেক মডেল ধরে নেওয়া হয়েছিল।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় যৌন সঙ্গীর সংখ্যা। সম্প্রতি একটি গবেষণা বা সমীক্ষা রিপোর্টে তেমনই তথ্য ধরা পড়েছে। কিংস কলেজ লন্ডন এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের সহযোগিতায় উনিভার্সিটি অফ ইস্ট অ্যাংলিয়া (UEA) এই বিশেষ সমীক্ষাটি করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে ৭০ বছরের বেশি সমকামী ও উপকামী পুরুষ এখনও যৌন সম্পর্ক দুর্দান্তভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু ৫০ বছরের পর থেকেই মহিলাদের যৌন সক্রিয়তা অনেকটাই কম।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ইউইএর নরউইচ মেডিকেল স্কুলের ডাঃ জুলি ব্রেইনার্ড বলেছেন, এই গবেষণার আগেই যৌন সংক্রমিত রোগ সম্পর্কে অনেক মডেল ধরে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল ৪০-৬৫ বছরের মধ্যেই ব্রিটেনের মানুষ যৌনভাবে সক্রিয় হওয়া থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু আদতে তা নয়। অনেকেই যৌনভাবে সক্রিয় হওয়া বন্ধ করলেও কেউ কেউ ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন ৭০ বছর পার করলেও।

এই সমীক্ষায় ৫১৬৪ জন ব্রিটশ নাগরিক অংশগ্রহণ করেছিল। যাদের মধ্যে ৩২৭৯ জন সাধারণ মানুষ, ১০৩৬ জন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে যোগদান করেছিল। LGBTQ ডেটিং অ্যাপ Grindr-এর বিজ্ঞাপনে ৮৩১ জন সাড়া দিয়েছিলেন।

সমীক্ষা অনুসারে, বেশিরভাগ লোকের আগের তিন সপ্তাহে যে কোনও বয়সে শূন্য বা একজন যৌন সঙ্গী ছিল।গবেষকরা গত তিন সপ্তাহে যৌন সঙ্গীর সংখ্যা এবং উত্তরদাতার বয়সের মধ্যে সম্পর্কের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছেন, পরিসংখ্যানগত মডেল ব্যবহার করে একজন ব্যক্তির বয়স তাদের সাম্প্রতিক সঙ্গীর সংখ্যার সাথে কতটা যুক্ত ছিল।

প্রায় ৬৫ শতাংশ সাধারণ মহিলা গত তিন সপ্তাহে ৫০ বছর না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে একজন যৌন সঙ্গীর সঙ্গে থাকার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু ৫০ হওয়ার পরে তাদের কোনও যৌন সঙ্গী নেই। তেমনই ৭০ বছর বয়সী ৭৯ শতাং মহিলা যাদের গত তিন মাস কোনও যৌন সঙ্গী ছিল না। পুরুষ সঙ্গীদের সঙ্গে তারা সম্পর্ক স্থাপনে উদাসীন।

তবে রিপোর্টে বলা হয়েছে ৫০ শতাংশ পুরুষ কিন্তু তিন সপ্তাহ ধরে একসঙ্গ যৌন সঙ্গীর সঙ্গে থাকার কথা জানিয়েছেন। ৭০ বছরের বেশি প্রায় ৫০ শতাংশ পুরুষই কোনও না কোনও মহিলার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছেন তিন সপ্তাহের মঘ্যে। মাত্র ৪৪ শতাংশ পুরুষ যৌন সম্পর্ক স্থাপনে উদাসীন ছিলেন। ৭০ বছরের অনেকেই আবার দুই বা ততোধিক যৌন সঙ্গীর কথাও মেনে নিয়েছেন। তবে রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে সোশ্যাস মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহ অনেকটা বেশি।