কোলেস্টেরল কমাতে ওটস কতটা জরুরি? কীভাবে এটি খাবেন, জেনে নিন দরকারি টিপস
ওটস খাওয়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে খুব উপকারী। এতে ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, কপার, বি ভিটামিন, আয়রন, সেলেনিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক এবং ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে, যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

কোলেস্টেরল কমাতে ওটস; খাওয়ার সঠিক নিয়ম
ওটস খাওয়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে খুব উপকারী। এতে ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, কপার, বি ভিটামিন, আয়রন, সেলেনিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক এবং ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে, যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
রক্তনালীকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
ওটসের ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ রক্তনালীকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। এটি প্লাক জমা কমায় এবং এলডিএল কোলেস্টেরল জমা কমিয়ে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে।
ওটস খাওয়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে খুবই উপকারী
ওটসের মধ্যে থাকা বিটা-গ্লুকান নামক ফাইবার এবং অ্যাভেনানথ্রামাইডস নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এই উপকারিতার জন্য দায়ী।
প্রতিদিন এক কাপ ওটস খেলে মাত্র চার সপ্তাহে কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত হতে পারে
ওটসের দ্রবণীয় ফাইবার পরিপাকতন্ত্রে কোলেস্টেরলের সাথে যুক্ত হয়ে শরীর থেকে তা বের করে দেয়। প্রতিদিন এক কাপ ওটস খেলে মাত্র চার সপ্তাহে কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত হতে পারে।
নিয়মিত ওটস খেলে এটি সার্বিক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
ওটসের বিটা-গ্লুকান শুধু এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রাকেই প্রভাবিত করে না, মোট কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমায়। নিয়মিত ওটস খেলে এটি সার্বিক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
চিয়া সিড, কলা এবং বিভিন্ন বাদামের সাথে মিশিয়ে ওটস খাওয়া যেতে পারে।
ওভারনাইট ওটস খুব দ্রুত এবং সহজে তৈরি করা যায়। চিয়া সিড, কলা এবং বিভিন্ন বাদামের সাথে মিশিয়ে ওটস খাওয়া যেতে পারে।
ফল ও খেজুরের সাথে ওটস মিশিয়ে স্মুদি বানিয়ে খেলেও কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করবে।
ওটস স্মুদি আরেকটি বিকল্প। ফল এবং খেজুরের সাথে ওটস মিশিয়ে স্মুদি বানিয়ে খেলেও কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করবে।

