লাইপোসাকশন সার্জারি কি তা নিয়ে জানতে চাইছেন অনেকেই। এটি মেদ ঝরানো আর শরীরকে নিখুঁত করার একটি প্রক্রিয়া। 

লাইপোসাকশন সার্জারি - এটি করার পরই ২৯ বছরের প্রভাবশালী ব্রাজিলিয়ান প্রভাবশালী ও মডের লুয়ানা অ্যান্ড্রেড মারা গিয়েছেন। কিন্তু এই লাইপোসাকশন সার্জারি কি তা নিয়ে জানতে চাইছেন অনেকেই। ব্রাজিলের মহিলার কিন্তু এই প্রক্রিয়া চলাকালীন দুইবার স্ট্রোক হয়ে গিয়েছিল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

লাইপোসাকশন সার্জারিঃ

লাইপোসাকশন সার্জারি মূলত হয় হাঁটুতে। একটি একটি কসমেটিক সার্জারি। এই সার্জারির মূল লক্ষ্যই হল শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে অতিরিক্ত চর্বি অপসারণ করা। এটি লিপোপ্লাস্টি নামেও পরিচিত। এই সার্জারি ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কারণ অনেকেই বর্তমানে নিখুঁত চেহারা পাওয়ার জন্য এই সার্জারি করাতে আগ্রহী। তবে এই সার্জারি খুবই ঝুঁকি পূর্ণ।

সাইপোসাকশন সার্জারির উপকারিতা

এটি আপনার শরীরকে নিখুঁত করে দেয়। এই সার্জারির মাধ্যমে যে কোনও ব্যক্তি নিজের পছন্দমত শরীর তৈরি করতে পারে। এই সার্জারি শরীরের খুঁতগুলি ঢেকে দেয়। তাই আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। এই সার্জারির মাধ্যমে নিজের ত্বককেও সুন্দর করা যায়। এটি দীর্ঘস্থায়ী ফল দেয়। লাইপোসাকশন সার্জারি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যেতে পারে। লাইপোসাকশন সার্জারির আরেকটি সুবিধা হল এটি একজন ব্যক্তির নির্দিষ্ট চাহিদা এবং লক্ষ্য অনুযায়ী ব্যক্তিগতকৃত করা যেতে পারে।

লাইপোসাকশন সার্জারির ঝুঁকি

সংক্রমণ - সার্জারির পরে সঠিক যত্ন না নিলে প্রক্রিয়া চলাকালীন ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এটি মাঝেমাঝে অত্যান্ত জটিল হয়ে পারে। নিরাময় প্রক্রিয়া দেরী করে।

দাগ-লাইপোসাকশন সার্জারির কারণ যে দাগ তৈরি হয় সেগুলি থেকে যায় অনেকদিন পর্যন্ত।

সার্জারিতে গলদ - লাইপোসাকশন সার্জারির কারণে দেহের কোনও অংশ যদি খুঁত তৈরি হয় তাহলে সেটি থেকে যায়।

তরল ভারসাম্যহীনতা - লাইপোসাকশান ফ্যাট কোষগুলি অপসারণ করে। যারফলে শরীরের তরল অপসারণ হতে পারে।

অ্যানেস্থেশিয়াতে নেতিবাচক -

লাইপোসাকশন সাধারণত সাধারণ অ্যানেস্থেশিয়ার অধীনে সঞ্চালিত হয়, যা অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ার মতো নিজস্ব ঝুঁকি বহন করে।

এই সার্জারি অত্যান্ত কঠিন ও কষ্টদায়ক। তাই এই সার্জারি করার আগে একজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ প্ল্যাস্টিক সার্জেনের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। নিজের শারীরিক সমস্যাগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চিকিৎসককে জানিয়ে দেওয়া জরুরি। পাশাপাশি মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শও জরুরি।